নজর২৪ ডেস্ক- চন্দ্রিমা উদ্যানে জিয়াউর রহমানের মরদেহ থাকার বিষয়ে ‘নিজে প্রত্যক্ষদর্শী’ ছিলেন জানিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের অভিযোগ, জনগণের দৃষ্টিকে ভিন্ন দিকে সরিয়ে দিতেই এটিকে সামনে আনা হয়েছে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, জিয়াউর রহমানের মরদেহ আমরা সচক্ষে দেখেছি। তার মরদেহ এখানে এসেছে কি-না সে বিষয়ে আমি নিজে প্রত্যক্ষ্যদর্শী।
চন্দ্রিমা উদ্যানে জিয়াউর রহমান লাশ নেই- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মন্ত্রীদের বিভিন্ন বক্তব্যের প্রেক্ষিতে শনিবার রাতে এক ভার্চুয়াল আলোচনায় বিএনপি মহাসচিব এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমানের মরদেহের পোস্ট মোর্টেম করেন ডা. তোফায়েল আহমেদ। তিনি তার শরীর থেকে ২২টি বুলেট বের করেছিলেন। প্রয়াত ব্রিগেডিয়ার আ স ম হান্নান শাহ তার মরদেহকে সামরিক এয়ার ক্রাফটে করে কুর্মিটোলায় নিয়ে এসেছিলেন। উপ প্রধানমন্ত্রী এসএ বারী এটি’র প্রাইভেট সেক্রেটারি হিসেবে আমিও সেখানে উপস্থিত ছিলাম। আমরা সেখানে দেখেছি- একটা কাঁচের বাসকেট ছিলো। সেখান থেকে আমরা তার দেহ দেখেছি।’
ফখরুল বলেন, ‘আজ এই ধরনের কথাবার্তা বলার একটাই মাত্র উদ্দেশ্য, সেটা হচ্ছে- ইতিহাসকে বিকৃত করে দেওয়া। জনগণের দৃষ্টিকে ভিন্ন দিকে সরিয়ে দেওয়া। বাংলাদেশকে একটা ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করা হচ্ছে সেখান থেকে মানুষের দৃষ্টিকে অন্যদিকে সরিয়ে দেওয়া।’
তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জিয়াউর রহমানের মরদেহের ছবি দেখাতে বলেছেন। ছবি কেউ কোনোদিন দেখায় না। তাদের ছবিটাও কি তারা দেখাতে পারবেন? এই কথাগুলো বলার উদ্দেশ্যই হচ্ছে যে, তারা ভিন্ন দিকে মোড় নিতে চায়, ভিন্নভাবে মানুষকে প্রতারিত করতে চায়। সত্যি কথা বলতে এই সরকার একটা ভণ্ড ও হিপোক্রেট সরকারে পরিণত হয়েছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে তারা জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে।’
বিএনপির স্বাধীনতা সূবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন জাতীয় কমিটির উদ্যোগে ‘২৮ আগস্ট ১৯৭১: জিয়াউর রহমান কর্তৃক রৌমারীতে স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের প্রথম বেসামরিক প্রশাসনের উদ্বোধন’ শীর্ষক এই ভার্চুয়াল আলোচনা সভা হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিষয়বস্তুর উপর তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করেন দলের তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক একেএম ওয়াহিদুজ্জামান।
