বন্দরের উন্নয়নে সবাইকে পরিবারের সদস্য হয়ে কাজ করতে হবে- মোহাম্মদ মুসা

শেখ রাসেল, বাগেরহাট প্রতিনিধি: শ্রমিক, কর্মচারি এবং বন্দর ব্যবহারকারী সবাই মিলে আমরা একটা পরিবার। বন্দরের উন্নয়নে সবাইকে এক পরিবারের সদস্য হয়ে আমাদের কাজ করতে হবে। সকলের নিরলস প্রচেষ্টায় মোংলা বন্দর ঘুরে দাড়িয়ে এখন লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

 

শ্রমিক-কর্মচারিরা বন্দরের চালিকা শক্তি। করোনা মোকাবেলায় ৩য় দফায় শ্রমিক-কর্মচারিদের খাদ্য সহায়তা দেয়া হচ্ছে। ১৫ জুলাই বৃহস্পতিবার দুপুরে মোংলা বন্দর শ্রমিক কর্মচারি সংঘের মাঠে বন্দর কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ শিপিং এজেন্টস এ্যাসোসিয়েশন খুলনা এবং মোংলা বন্দর বার্থ ও শিপ অপারেটর এ্যাসোসিয়শন আয়োজিত করোনাকালীন জাহাজি শ্রমিক-কর্মচারিদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কালে বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।

 

বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টায় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোংলা বন্দর বার্থ ও শিপ অপারেটর এ্যাসোসিয়শনের সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুল বাতেন। এসময় শ্রমিক কর্মচারিদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন মোংলা বন্দর শ্রমিক কর্মচারি সংঘ (রজি:নং-২১৪৩) এর সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক সেন্টু।

 

এসময় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন বন্দর কর্তৃপক্ষ’র পরিচালক (প্রশাসন) মোঃ শাহীনুর আলম, পরিচালক (ট্রাফিক) মোস্তফা কামাল, প্রধান অর্থ ও হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ সিদ্দিকুর রহমান, মোংলা উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা কমলেশ মজুমদার, বন্দরের নির্বাহি ম্যাজিস্ট্রেট শোভন মন্ডল, ষ্টিভেডর এ্যাসোসিয়শনের সায়েদ মোস্তাক মিঠু, এইচ এম দুলাল, জেসান ভুট্টা, মিজানুর রহমান টিংকু, শেখ আব্দুস সালাম, মশিউর রহমান, মাহবুবুর রহমান টুটুল, আব্দুর রহমান প্রমূখ।

 

উল্ল্যেখ্য মোংলা বন্দর জাহাজে কর্মরত প্রায় ৩ হাজার অস্থায়ী শ্রমিক কর্মচারিদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। খাদ্য সামগ্রীর মধ্য ছিলো চাল ১০ কেজি, মশুরের ডাল ২ কেজি, চিনি ১ কেজি. আলু ৩ কেজি, তেল ১ লিটার, লবন ১ কেজি, সেমাই ৫০০ গ্রাম এবং দুধ ১০০ গ্রাম। খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কাজে সহযোগিতায় ছিলেন মোংলা বন্দর শ্রমিক কর্মচারি সংঘ (রজি: নং-২১৪৩)।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *