মো:নজরুল ইসলাম, ঝালকাঠি: ঝালকাঠিতে উন্নত চিকিৎসার একমাত্র ভরসা ১০০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতাল। এতে প্রবেশে পূর্ব ও পশ্চিম দিকে দুটি পৃথক গেট ও সড়ক রয়েছে। পূর্ব গেট দিয়ে প্রবেশে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রেও একমাত্র যাতায়াতের পথ।
উভয় দিকের সড়কেই খানাখন্দ রয়েছে অসংখ্য। বৃষ্টি হলেই পানি জমে সড়কটি ডুবে যায়। ফলে কোন জায়গা খানাখন্দ তা বোঝাই দায়। দুর্ঘটনার আশঙ্কা নিয়ে হাসপাতালে চলাচল করতে হচ্ছে রোগী ও স্বজনদের।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল চত্বরে আড়াইশ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল ভবনের নির্মাণ কাজ চলছে। ভবনের জন্য মালামাল সরবরাহের ভারী গাড়ির কারণে রাস্তা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। সেদিকে খেয়াল না করেই পুরাতন হাসপাতালের ওয়াল ও ফ্লোরে টাইলস ব্যবহার করে সুসজ্জিত করার কাজ করছে গণপূর্ত অধিদফতর। এ প্রকল্পগুলো কয়েক লাখ টাকা ব্যয় করলেও জনসাধারণের চলাচলের রাস্তাটি সংস্কারে কোনো উদ্যোগ নেই।
অভিযোগ রয়েছে, জনস্বার্থের দিকে তোয়াক্কা না করে অজ্ঞাত কারণে ঠিকাদারদের স্বার্থের দিকেই তাকাচ্ছে সংশ্লিষ্ট গণপূর্ত বিভাগ। এ উন্নয়ন রোগীদের সেবা বা পরিসেবার ক্ষেত্রে কোনো কাজে লাগছে না।
এ ব্যাপারে ঝালকাঠি সিভিল সার্জন ডা. রতন কুমার ঢালী বলেন, ‘গণপূর্ত বিভাগকে সংক্ষিপ্ত এই সড়কটি সংস্কার করার জন্য বারবার লিখিত ও মৌখিকভাবে জানানো সত্ত্বেও কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না। তারা শুধু হাসপাতালের টাইলস বসিয়ে চলছে।’
গণপূর্ত অধিদফতরের সহকারী প্রকৌশলী সমীর দাস বলেন, ‘হাসপাতালের সামনেই ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ৯তলা ভবনের কাজ নির্মাণাধীন। মালামাল পরিবহনে রাস্তা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। সিভিল সার্জন রাস্তার দুর্ভোগের বিষয়ে ফোন দিয়ে জানিয়েছেন।
জরুরি সংস্কার খাতে পূর্ব পাশের রাস্তাটি রোগীদের স্বাভাবিক যাতায়াতের জন্য সংস্কার করা হবে। অতিদ্রুতই এ কাজ শুরু করা হবে। পশ্চিম পাশের প্রবেশ সড়কটি দিয়ে মালামাল বহন করা হবে।
