মো:নজরুল ইসলাম, ঝালকাঠি: আসন্ন ঈদ উপলক্ষে ঝালকাঠির সেমাই কারখানা গুলোতে দিনরাত চলছে সেমাই তৈরির কাজ। তবে কারখানা গুলোর নোংরা পরিবেশ, নিম্ন মানের উপকরন ব্যবহার বন্ধে সংশিষ্ট কতৃপক্ষের কোন উদ্যোগ নেই।
মালিক পক্ষ পরিচ্ছন্ন পরিবেশে উৎকৃষ্ট মানের উপকরন ব্যাবহার করে সেমাই তৈরি করা হচ্ছে বলে দবী করছেন। কিন্তু কারখানা গুলো ঘুরে এ দাবীর বিপরীত চিত্রই পাওয়া যায়। তবে দেশে যে মহামারী করোনা আছে তা সেমাই কারখানাগুলোতে প্রবেশ করলে মনে হচ্ছে না । নেই কোন স্বাস্থ্যবিধির বালাই। যে যার মতো করে শ্রাম দিয়ে তৈরি করছেন সেমাই।
ঈদের আর বেশী দিন বাকী নেই, এ দিনের আপ্যায়নের অন্যতম উপকরন সেমাই। পাইকারদের বারতি চাহিদা মেটাতে ঝালকাঠির সেমাই কারখানা গুলোতে এখন রাতদিন চলছে সেমাই তৈরির কাজ। তবে কারখানা গুলোর অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে নিম্নমানের উপকরন ব্যাবহার করে তৈরি সাধারন এবং লাচ্ছা সেমাই আদৌ স্বাস্থ্য সম্মত কিনা সেদিকে মালিক পক্ষের কোন খেয়াল নেই।
নিয়ম অনুযায়ী কারিগরদের এপ্রোন এবং গ্লাভস্ধসঢ়; ব্যাবহার করার কথা থাকলেও কোন কারখানেতেই এসব ব্যাবহার হচ্ছেনা। এত সবের পরেও সবাই দবী করছে নিয়ম মেনে উৎকৃষ্ট মানের উপকরন ব্যবহার করে স্বাস্থ্য সম্মত ভাবেই সেমাই তৈরি করা হচ্ছে।
অন্যদিকে যারা নিম্নমানের উপকরন দিয়ে সেমাই তৈরি করছে তারা তুলনা মূলক কম মূল্যে বিক্রি করে অধিক লাভবান হচ্ছে বলে স্থানীয় কারখানা মালিকরা অভিযোগ করেছেন।
উল্লেখ্য বিএসটিআই এর পরীক্ষায় নিম্নমানের পন্য প্রমানিত হওয়ায় বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশে জেদ্দা ফুড ইন্ডাষ্ট্রিজ এর লাচ্চা সেমাই উৎপাদন বন্ধ রয়েছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে অস্ব্যস্থ্যকর পরিবেশে সেমাইসহ খাদ্য পন্য তৈরির বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
