আবদুল্যাহ রিয়েল, ফেনী প্রতিনিধি: ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আটকৃত ইমরানুল হক ইমরাম ছাত্রদল বা বিএনপি পরিবারের কেউ না দাবী করেছেন ফেনী জেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দ। মূলত গাজী মানিককে মামলায় আসামি করার পেছনে কারণ ছিল ভারতের পুনের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে টিকা বাংলাদেশকে না দেয়ায় কারণে গাজী মানিক তার আইডিতে উদ্বেগ প্রকাশ করায় তার নামে মামলা দেয়া হয়েছে।
সোমবার ২৬ এপ্রিল ইসলামপুর রোড়স্থ ফেনী জেলা বিএনপির অস্থায়ী কাযার্লয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবী করেন জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল।
সংবাদ সম্মেলন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির আহবায়ক শেখ ফরিদ বাহার বলেন, ইমরান নামে কাউকে আমরা চিনি না, এমনকি ছাত্রদলের কর্মী বলে যে অপ্রচার করা হয়েছে তা সবৈব ভুল।
মুলত বিএনপিকে টার্গেট করে ফেনী জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক গাজী হাবিবুল্লাহ মানিকসহ স্বেচ্ছাসেবক ও ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দদের’কে হয়রানি করার লকূ এ মামলা দায়ের করা হয়েছে। তিনি এ মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার করার জন্য অনুরোধ জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক আবদুল খালেক,এয়াকুব নবী,আলা উদ্দিন গঠন,আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী,জেলা বিএনপির সদস্য সাইফুর রহমান রতন,জয়নাল আবদিন বাবলু, ফেনী পৌর বিএনপির সদস সচিব মেসবাহ উদ্দিন ভুঞা প্রমুখ।
ফেনী জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক গাজী হাবিবুল্লাহ মানিক, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন দোলন, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সালাউদ্দিন মামুন, যুগ্ম সম্পাদক কাজী নজরুল ইসলাম দুলাল ও ছাত্রদল কর্মী পরিচয়ে এমরানুল হককে আসামী করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ফেনী সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, এমরানুল হককে গত বুধবার রাতে পুলিশ তার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। ২২ এপ্রিল তাকে সহ উপরোল্লেখিত বিএনপি, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাদের আসামী করে মামলা দায়ের করে তাকে আদালতে প্রেরণ করে।আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করে।
মামলা সুত্রে জানা যায়, ইমরানুল হকের ফেসবুক আইডি থেকে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা সজিব ওয়াজেদ জয় ও পুলিশ প্রধান বেনজির আহমদকে নিয়ে কুটুক্তি এবং নানা বিষয়ে উস্কানিমূলক পোষ্ট করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাকে পুলিশ আটক করেছে। অন্য আসামীদের ইমরানুল হকের সহযোগী হিসেবে মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে।
