হঠাৎ ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবে হেফাজতের নেতারা

নজর২৪ ডেস্ক- হেফাজতে ইসলামের ডাকা হরতালে গত ২৮ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও সংগঠনের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিনকে মারধর করা হয়।

 

এর প্রতিবাদে হেফাজতের সংবাদ বয়কটের ডাক দিয়েছিল ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব। এর মধ্যে সোমবার দুপুরে হঠাৎই প্রেসক্লাবে হাজির হন হেফাজতের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় কিছু নেতা।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও সহিংসতার ঘটনার ভিডিও ফুটেজ দেখে তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষী ব্যক্তিদের শনাক্ত করার দাবি জানান হেফাজতের নেতারা। ওই তিন দিনে জেলার রেলস্টেশন, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও সহিংসতা চালানো হয়।

 

সোমবার দুপুরে কেন্দ্রীয় হেফাজতের নায়েবে আমির সাজিদুর রহমান, জেলা হেফাজতের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা শহরের কান্দিপাড়ায় অবস্থিত জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুফতি মো. মোবারকুল্লাহ, মাওলানা আলী আযম, মুফতি বোরহান উদ্দিন কাসেমী, মুফতি নোমান হাবিবি, মুফতি বোরহান উদ্দিন আল মতিন প্রমুখ ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবে আসেন।

 

পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতে ইসলামের কোনো নেতাকর্মী তাণ্ডব চালায়নি দাবি করে হেফাজতের নায়েবে আমির সাজিদুর রহমান বলেন, আমরা খুব দুঃখ পেয়েছি। কতো দুঃখ পেয়েছি সেটি প্রকাশ করার ভাষা নেই। ভাঙচুরের জন্য আমাদের কর্মসূচি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এজন্য দোষীদের চিহ্নিত করে তাদের বিচারের দাবি জানাই। কিন্তু কোনো নিরপরাধ ব্যক্তিকে যেন হয়রানি না করা হয়, আপনাদের (সাংবাদিক) মাধ্যমে আমরা প্রশাসনের কাছে সেই দাবি জানাই।

 

মাওলানা সাজিদুর রহমান বলেন, হরতালের দিন আমাদের নেতাদের অবস্থান শুধু মাদরাসার সামনে ছিল। যারা এ ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে, ভিডিও ফুটেজ দেখে প্রকৃত দোষিদের বের করে শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

 

যারা সন্ত্রাসী কার্যকলাপ-ভাঙচুর করে, তারা কোনোদিন হেফাজতে হতে পারে না। আমরা সমস্ত ভাঙচুরের প্রতিবাদ জানাই। এর সঙ্গে যারা হত্যকাণ্ড ঘটিয়েছে এবং যারা উস্কানিদাতা তাদেরও চিহ্নিত করা দরকার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *