ওবায়দুল কাদের মেরুদণ্ডহীন প্রাণী: কাদের মির্জা

নজর২৪ ডেস্ক- সেতুমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে মেরুদণ্ডহীন বলে উল্লেখ করলেন তার ছোট ভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা।

 

বৃহস্পতিবার (০১ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টায় নিজের ফেইসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে এসে এসব কথা বলেন তিনি।

 

কাদের মির্জা বলেছেন, ‘একটা অপ্রিয় সত্য কথা বলতে চাই। বাংলাদেশের রাজনীতিতে আজকে যে দুর্বৃত্তায়ন চলছে, অপরাজনীতিকদের নিয়ন্ত্রণে যাচ্ছে, এজন্য আজকে রাস্তায় মানুষ বলাবলি করছে: ওবায়দুল কাদের সাহেব নাকি মেরুদণ্ডহীন প্রাণী।

 

কাদের মির্জা বলেন, নোয়াখালীর রাজনীতির এই দুরবস্থা ও একরাম চৌধুরীর অপকর্মের জন্য মেরুদণ্ডহীন সভাপতি খায়রুল আনম সেলিম দায়ী। তারপরে কোম্পানীগঞ্জের রাজনীতির এই অবস্থার জন্য আরেক মেরুদণ্ডহীন সাহাব উদ্দিন দায়ী। এটা অপ্রিয় হলেও সত্য কথা। এটা মানুষের কথা, মানুষের মনের কথা। আমি আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করেছি। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সংগঠন বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের সদস্য হয়ে রাজনীতি করব। আমি নামাজের বিছানায় বসে শপথ করেছি, অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে কথা বলব।

 

কাদের মির্জা বলেন, আমি আমার প্রতিশ্রুতি থেকে এক চুল পরিমান সরে যায়নি। হেফাজতের উত্থান কিভাবে হয়েছে আপনারা জানেন। আওয়ামী লীগের অপরাজনীতির কারণে তাদের উত্থান। আমি স্পষ্ট বলব, আগ থেকেও বলেছি। তারা আজকে এমন পর্যায়ে গিয়েছে তারা মানুষ হত্যা করতে দ্বিধাবোধ করে না। দলের এখন সুসময়। বসন্তের কোকিলদের আনাগোণায় ত্যাগীরা হারিয়ে যাচ্ছে।

 

আলোচিত এই মেয়র বলেন, মন্ত্রীর স্ত্রী সন্ত্রাসীদের অর্থের যোগান দিয়েছে তার স্বার্থে। যেহেতু তিনি দুর্নীতিগ্রস্ত, তার দুর্নীতিকে ঢাকতে, আমি যাতে তার দুর্নীতির বিরুদ্ধে নেত্রীর কাছে, দেশবাসীর কাছে কোনো কিছু করতে না পারি। তার স্বার্থে তিনি আমার বিরোধীতা করছেন।

 

কাদের মির্জার বলেন, আমাকে হত্যা করার জন্য ষড়যন্ত্র করছে। কিন্তু আমার প্রশ্ন ওবায়দুল কাদের সাহেব আপনি কার স্বার্থে, কিসের স্বার্থে, কেন আজকে সন্ত্রাসী, অস্ত্রবাজদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। আমার নেতাকর্মীরা গুলি খেয়ে ঢাকাতে হাসপাতালের বেডে কাতরাচ্ছে। আপনি তো যাননি। আপনার একজন প্রতিনিধি বা নেতাও যায়নি। এর জবাব একদিন জনগণকে দিতে হবে, আল্লার আদালতে দিতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *