নজর২৪, ঢাকা- স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে নরেন্দ্র মোদির ঢাকায় আসার এক দিন আগে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মতিঝিলে বিক্ষোভ হয়। বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেন নুর। বিক্ষোভে পুলিশ বাধা দিলে সংঘর্ষ বাধে।
সেখান থেকে ‘শিশুবক্তা’ রফিকুল ইসলামকেসহ বেশ ৩৩ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে বিকাল ৫টার দিকে ‘শিশুবক্তা’ রফিকুল ইসলামকে ছেড়ে দেয় পল্টন মডেল থানা পুলিশ। তবে বাকি ৩২ জন আটক রয়েছেন।
এদিকে পুলিশের ওপর হামলার নেতৃত্বে নুর ছিলেন দাবি করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) সৈয়দ নুরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘তাকে খোঁজা হচ্ছে। হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে মামলা হবে।’
তিনি বলেন, অবৈধ সমাবেশ ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় আমরা মোট ৩৩ জনকে আটক করেছিলাম। তাদের মধ্যে শিশুবক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি ৩২ জন আমাদের হেফাজতে রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
নুরুল ইসলাম বলেন, ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের লোকজন বিক্ষোভ বা সমাবেশ করার আগে ডিএমপি থেকে অনুমতি নেয়নি। ফলে আমরা বাধা দিলাম। বাধা দিলে পুলিশকে লক্ষ্য করে হামলা করে তারা। এতে পুলিশের সাত সদস্য আহত হয়েছেন। চারজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আমরা ভিপি নুরকে খুঁজছি।
এ বিষয়ে নুরুল হকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। তার ছাত্রসংগঠন ছাত্র অধিকার পরিষদের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহসভাপতি ফাতিমা তাসনিম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা মতিঝিল এলাকায় শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিল করছিলাম। কোনো রকম উসকানি ছাড়াই পুলিশ আমাদের ওপর লাঠিচার্জ করে, মারধর করে, রবার বুলেট ছোড়ে।’
পুলিশের মারধরে নুরুল হকসহ ছাত্র অধিকার পরিষদের ৪০ থেকে ৫০ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন ফাতিমা তাসনিম। তিনি বলেন, আহতদের মধ্যে কয়েকজন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। বাকিরা চিকিৎসা নিচ্ছেন গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে।
