শেখ রাসেল, বাগেরহাট প্রতিনিধি: মোংলার ধনখালী গ্রামে আগুনে পুড়ে গেছে মন্দিরসহ ৫টি বসত ঘর। এতে প্রায় ৯০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবী ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর। বৈদ্যুতিক সটসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে বলে দাবী ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও স্থানীয়দের। তবে ফায়ার সার্ভিস বলছে রান্না ঘর থেকেই আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, উপজেলার মিঠাখালী ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের ধনখালী গ্রামের দুলাল মন্ডলের (৬২) বসত ঘর রবিবার (২১ মার্চ) দিবাগত রাতে ১টার দিকে অগিকান্ডের ঘটনা ঘটে। এ সময় ঘরে ঘুম থাকা গৃহকর্তার দুলাল ও তার স্ত্রী এবং ছেলে দ্রুত বাইরে বেরিয়ে যান।
মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে দুলাল মন্ডলের বাড়ীর পারিবারিক উপসনালয়সহ ৫টি বসত ঘরে। দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে দেখে সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয়রা মোংলা ফায়ার সার্ভিস খবর দিলে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট।
তাৎক্ষনিক ফায়ার সার্ভিসের দল আগুন নিভানোর কাজ শুরু করে। ততক্ষণে আগুন পুরাপুরি পুড়ে ছাই হয় যায় দুলাল মন্ডলর দোতালা টিনের একটিসহ ৪টি ঘর ও একটি উপস্যানলয়। আগুন নিভাতে গিয়ে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় কয়েকজন কর্মীও আহতও হয়েছে।
এ অগ্নিকান্ডে প্রায় ৯০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবী করছেন বাড়ীর মালিক দুলাল মন্ডল। তিনি বলেন, তার ঘরে নগদ ৫ লাখ টাকা ও বেশ কয়েক ভরি স্বণার্লংকারসহ অনেক মূল্যবান মালামাল ছিল। ছিল ঘরের দলিলপত্রসহ অন্যান্য কাগজপত্রও।
দুলাল মন্ডল পেশায় ঘের ব্যবসায়ী ও জমিজমার মালিক। এছাড়া তিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক । তিনি বলেন, তার বাড়ীর উপর দিয়ে পল্লী বিদ্যুতের পিলার ও সার্ভিস ক্যাবল রয়েছে। তাই বদ্যুৎতিক সটসার্কিট থেকে আগুন লেগেছে বলে দাবী করেন তিনি।
এদিকে মোংলা ফায়ার সার্ভিসর স্টেশন অফিসার মোঃ আহাদুজ্জামান বলেন, ফায়ার সার্ভিস স্টেশন থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দূরে আগুন লাগার খবর পেয়ে আধা ঘন্টার মধ্য আমরা সেখানে গিয়ে আগুন নিভানোর চেষ্টা করি।
প্রাথমিকভাব মনে হয়েছে ওই বাড়ীর রান্না ঘর থেকেই এ অগিকান্ডের সূত্রপাত ঘটেছে। ওই বাড়ীত কাঠের চুলার পাশাপাশি গ্যাসের চুলাও ছিল।
