তৌফিকুর রহমান, ভুঞাপুর (টাঙ্গাইল): টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর পৌরসভার নির্বাচনে কেন্দ্রে দায়িত্বে থাকা প্রিজাইডিং কর্মকর্তার কক্ষসহ আরো তিনটি কক্ষ বন্ধ করে একযোগে কাউন্সিলর প্রার্থী আনোয়ার হোসেনের পানির বোতল ও নৌকা প্রতীকে সিল মারার অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (৩০ জানুয়ারি ) ভুঞাপুর পৌরসভার কুতুবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, সকাল থেকে সুষ্ঠভাবে ভোটগ্রহণ হচ্ছিল। বেলা ১১টার দিকে জাল ভোট দেয়া নিয়ে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। এসময় আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর প্রার্থী আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে সংঘর্ষ চলাকালীন সময়ে কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তার কক্ষসহ কেন্দ্রের আরো তিন কক্ষে নৌকা প্রতীক ও কাউন্সিলর প্রার্থী আনোয়ার হোসেনের পানির বোতল প্রতিকে জাল ভোট দিতে থাকে। পরে সম্পন্ন জাল ভোট দেয়া শেষ হলে তারা চলে যায়।
এদিকে সরেজমিনে কুতুবপুর কেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে, সংঘর্ষ চলাকালীন ওই কেন্দ্রে প্রিজাইডিং কর্মকর্তার কক্ষ ভিতর থেকে আটকানো। এছাড়া কেন্দ্রের আরো তিনটি কক্ষও বন্ধ। ফলে সেখানকার কক্ষগুলোতে মানুষকে জাল ভোট দিতে দেখা গেছে। এসময় আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী আনোয়ার হোসেন জালভোট দেয়ার নেতৃত্ব দেন।
এসময় তিনটি ব্যালট বইয়ে নৌকা প্রতিকে সিল মারা অবস্থায় দেখা যায়। সেখানে কেন্দ্রের পাশেই দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান চৌধুরীকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসলে একটি কক্ষ থেকে সহকারি প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ব্যালট বোঝাই একটি বাক্স প্রিজাইডিং কর্মকর্তার কক্ষে নিয়ে আসেন।
পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের কুতুবপুর কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা শাহীনুর ইসলাম বলেন, সংঘর্ষের সময় ভোটগ্রহন স্থগিত ছিল। কক্ষ আটকিয়ে জাল ভোট দেয়ার কথা অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, কেন্দ্রে সংঘর্ষ হয়েছিল। এতে কিছু সময়ের জন্য ভোটগ্রহন বন্ধ ছিল। তবে জাল ভোট দেয়ার কোন ঘটনা ঘটেনি।
