নজর২৪ ডেস্ক- বগুড়ার শিবগঞ্জের মোকামতলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিভ্রান্তি ও ভোটে কারচুপির অভিযোগ উঠেছে।
সভাপতি পদে আবু বক্কর সিদ্দিক মন্ডল ও ফজলার রহমান দুলা সরদার দুজনই নির্বাচিত হয়েছেন দাবি করে পাল্টাপাল্টি শোডাউন দেওয়ায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
জানা গেছে, গত বুধবার (২৩ ডিসেম্বর) সকাল থেকে শিবগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে সৈয়দপুর, দেউলী ও মোকামতলা ইউনিয়নের কমিটি গঠন শুরু হয়। গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেন কাউন্সিলররা। মোকামতলা ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডে ১৯ জন করে মোট ১৭১ জন ও কো-অফ ১৫ জন মিলে ১৮৬ জন ভোটার থাকলেও মোট ভোট পড়ে ১৮৭ টি।
সভাপতি প্রার্থী আবু বকর সিদ্দিক দাবি করেন, মোকামতলা ইউনিয়নের ভোটার সংখ্যা ছিল ১৮৬ জন। যার মধ্যে ৯৩ টি তিনি পেয়েছেন আর ৯২ টি ফজলার রহমান পেয়েছেন। কিন্তু ফজলার রহমান দাবি করেন, তিনি পেয়েছেন ৯৪টি ও আবু বক্কর সিদ্দিক পেয়েছেন ৯৩টি ভোট। ১৮৬ জন ভোটারের মধ্যে কোঅপ্ট সদস্য আবুল কাশেম ফকির ঢাকায় অবস্থান করায় ভোট দিতে পারেননি। সেদিকে হিসাব করলে মোট কাস্ট ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ১৮৫ টিতে।
কিন্তু অপর সভাপতি প্রার্থী ফজলার রহমানের দাবি অনুযায়ী তিনি সভাপতি পদে জয়ী হলে ভোট কাস্ট হয় ১৮৭টি। তাহলে বাকি ২ ভোট কোথা থেকে পেলেন ফজলার রহমান?
এসময় তিনি অবিলম্বে আবারো ভোট গণনা করে সঠিক বিজয়ী প্রার্থীকে সভাপতি ঘোষণার অনুরোধ জানান।
এ ব্যাপারে বক্তব্য নিতে বৃহস্পতিবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুর থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত ফজলার রহমান রহমান দুলা সরদারের মুঠোফোনে একাধিক বার ফোন দেয়া হলে তার ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
সম্মেলনের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি টি জামান নিকেতা বলেন, নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে যদি কোন পক্ষের অভিযোগ থাকে তাহলে জেলা কমিটি বরাবর লিখিত অভিযোগ দিতে হবে। আমরা এখনো এ বিষয়ে অভিযোগ পাইনি।
