৪০ দিনের কর্মসূচি: কৈজুরীতে শেখ রাসেল মাঠ ও সড়ক নির্মাণ চলছে

রাজিব আহমেদ রাসেল, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: যমুনার ভাঙন কবলিত সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলার ১০নং কৈজুরী ইউনিয়নে ৪০ দিনের কর্মসুচির কাজের ফলে প্রাণ ফিরে পাচ্ছে শেখ রাসেল খেলার মাঠ ও গ্রামীন রাস্তাঘাট। কয়েক দফা বন্যায় ক্ষতিগ্রসন্ত রাস্তাগুলো এতোদিন চলাচলের অনুপযোগী ছিল। এই কর্মসূচীর কাজের ফলে সেই ভাঙা রাস্তাগুলো সংস্কার করা হচ্ছে ।

যমুনা নদীর তীরবর্তী এই ইউনিয়নের জনগণকে সবসময় নদীর সাথে যুদ্ধ করে বেঁচে থাকতে হয়। এবছর কয়কদফা বন্যার ফলে অত্র ইউনিয়নের রাস্তাঘাট ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়।

শনিবার (১১ ডিসেম্বর) কৈজুরী ইউনিয়নের ৪০ দিনের কর্মসূচির কাজ সরেজমিনে পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, ভাটদিঘুলিয়া নুরজামালের বাড়ী হইতে জামে মসজিদ পর্যকন্ত ভাঙা রাস্তাটি মেরামতের কাজ চলছে। জগতলা এলাকায় একটি সড়ক পুর্ননির্মান, কৈজুরী বাজারের একটি রাস্তা পুননির্মান ও কৈজুরী শেখ রাসেল খেলার মাঠে মাটি ভরাট করে সংস্কারের কাজ চলছে। উল্লেখ্য কৈজুরী শেখ রাসেল খেলার মাঠটি ২০১১ সালে বর্তমান ইউটি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেন।

গ্রামের বাসিন্দাদের চলাচলের চলাচলের সরু রাস্তা গুলো প্রশস্ত হওয়ার ফলে অনেক দুর্গম এলাকায় এখন যানবাহন চলাচল করার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে । পিছিয়ে পড়া গ্রামগুলোর উন্নয়নে গতি ফিরে পেয়েছে। অপরদিকে অবহেলিত গ্রাম গুলোর ভাঙা রাস্তা মেরামত ও নতন রাস্তা নির্মাণ চলছে।

কৈজুরী ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মোহাব্বত হোসেন তালুকদার জানান, গত ২১ নভেম্বর থেকে অত্র ইউনিয়নের ৪০ দিনের কর্মসূচীর কাজ শুরু হয়েছে। এখানে নিবন্ধিত ৫১৭ জন শ্রমিক দিয়ে ৪টি স্থানে কাজ করানো হচ্ছে।

কৈজুরী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, আমার ইউনিয়নে শহভাগ স্বচ্ছতার সাথে ৪০ দিনের কর্মসূচির কাজ করা হচ্ছে। আপনারা জানেন আমার ইউনিয়নটি যমুনা নদী তীরবর্তী হওয়ার ফলে বর্ষাকালে ব্যাপক ক্ষতি হয়। যে সকল এলাকার রাস্তার ভেঙে পথচারী ও যানবাহন চলাচল করতে পারেনা সেই সকল রাস্তা পুনরায় আবার নির্মাণ করা হচে্ছ ।

তিনি আরো জানান, আমি ২০১১ সালে অত্র ইউনিয়নের সকল বয়সী মানুষের খেলাধুলা ও বিনোদনের জন্য জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের নামে একটি খেলার মাঠ নির্মাণ করেছিলাম। এই প্রকল্পের আওতায় সেই মাঠটিও সংস্কার কাজ হাতে নিয়েছি ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *