মোঃ নজরুল ইসলাম, ঝালকাঠি: ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ ইউনিয়ন, এটি বরিশালের বাকেরগঞ্জের সীমান্তের ইউনিয়ন। এখানে ইউপি নির্বাচন একটি রাজনৈতিক দলের জন্য খুবই গুরুত্ববহ। এ কথাগুলো বলছিলেন এ ইউনিয়নের আওয়ামী পরিবার হিসাবে পরিচিত আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ মিজানুর রহমান হাওলাদার।
আসন্ন ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী দলের ত্যাগী এ নেতা, তিনি বলেন তার জন্ম আওয়ামীলীগ পরিবারে। তিনি ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগে যোগদানের মাধ্যমে রাজনীতি শুরু করেন। এখন মূল দলের সদস্য হয়ে ইউনিয়নের আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনগুলো জোরদার করেছেন তিনি। দলের দূর্দিনেও তিনি দলের জন্য যে অবদান রেখেছেন সুদিনেও তার অবদান কম নয়।
কিন্তু দল তাকে সেভাবে মুল্যায়ন করেনি। তিনি আশা করেন দল এবারে ত্যাগী নেতাকর্মীদের মুল্যায়ন করবে। তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইউনিয়ন নির্বাচন কমিটির আহবায়কের দায়িত্ব পালন করে নৌকা প্রতীককে বিপুল ভোটে বিজয়ী করেছেন। মিজানুর রহমান আরও বলেন তার ব্যক্তিগত অর্থদ্বারা দপদপিয়া ফেরী ঘাটের ড্রেন রাস্তা সংস্কার সহ ইউনিয়নের অন্যান্য ছোট খাট উন্নয়ন কর্মকান্ড তিনি করে যাচ্ছেন।
এলাকার গরীব অসহায়, দুস্থদের যথাসাধ্য সহায়তা করছেন। যে কোন সামাজিক অনুষ্ঠানে তার উপস্থিতি নিত্যনৈমিত্তিক। তার ছোট ভাই ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
বিএনপির ক্ষমতাকালীন সময় একাধীক মামলা হামলার শিকার মিজানুর রহমান আক্ষেপ করে বলেন, দপদপিয়া ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান এক খাস বিএনপির লোক। তিনি ২০১১ সালে বিএনপি থেকে ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এরপর আওয়ামীলীগে যোগদান করে ২০১৬ সালে ইউপি নির্বাচনে দলের শীর্ষ নেতাদের ভূল বুঝিয়ে নৌকা প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়।
আমিও ২ বার নির্বাচনে অংশ নেই। ইউনিয়নবাসী আমাকে ভোট দিলেও একটি কুচক্রী মহলের কাছে আমি হেরে যাই। ইউনিয়নের তিমিরকাঠি গ্রামের মৃত: হাজী এনচান আলী হাওলাদারের ছেলে মোঃ মিজানুর রহমান হাওলাদার। তিনি একজন ব্যবসায়ী, ঠিকাদার ও কোয়াব সদস্য। তিনি আরও বলেন দক্ষিন বঙ্গের সিংহপুরুষ সাবেক সফলমন্ত্রী ১৪ দলের সমন্বয়ক আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু আমার একজন অভিভাবক।
আওয়ামীলীগ সভানেত্রী মানবতার মা জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং দলের উপজেলা, জেলা ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের কাছে আমি চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়নের জোর দাবী করছি। আমি বিগত ইউপি নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন বঞ্চিত হয়েছি। আমার বিশ্বাস এবারে নির্বাচনে আমার আস্থার প্রতীক আমু ভাই আমাকে মনোনয়ন বঞ্চিত করবেন না।
আমি দলের মনোনয়ন পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত গ্রাম হবে শহর এ ঘোষণা আমি বাস্তবে রূপদান করবো। সরকারি ত্রাণ, অনুদান, ভাতা উন্নয়ন কর্মকান্ডে সুষম বন্টন করবো। মাদক, সন্ত্রাস, ভিক্ষুক, দারিদ্র, বেকারত্ব মুক্ত ইউনিয়ন গড়োবা, কর্ম সংস্থান সৃষ্টি করবো। বাল্যবিয়ে রোধকরা সহ একটি শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর ইউনিয়ন গড়ে তুলবো। জেলার মধ্যে দপদপিয়া ইউনিয়ন হবে দেশের শান্তির ও সুশীল সমাজের দৃষ্টান্তমূলক ডিজিটাল ইউনিয়ন।
