নজর২৪ ডেস্ক- প্রায় প্রতিদিনই নিজের সঙ্গে নিজেই যৌন লালসায় মেতে উঠতেন ১৫ বছর বয়সী মিঠু (ছদ্মনাম)। ফলে ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে পড়ে তার পুরুষাঙ্গ। শারীরিকভাবে যৌনসঙ্গমে ব্যর্থ হবেন ভেবে নিজেই ব্লেড দিয়ে কেটে ফেলেন নিজের পুরুষাঙ্গ। যদিও এ নিয়ে প্রথমে তিনি নাটক সাজান, তবে শেষ পর্যন্ত নিজেই ঘটনার বর্ণনা দেন।
পুরুষাঙ্গ কীভাবে বা কারা কাটল জানতে মিঠুর কাছে যায় নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থানা পুলিশ। পরে পুলিশের কাছে এভাবেই বিষয়টি খুলে বলেন মিঠু। ১৫ বছরের এ কিশোরের বাড়ি সোনারগাঁও উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের হামছাদি গ্রামে। তিনি উলুকান্দি হাফিজিয়া মাদ্রাসার ছাত্র।
৪ ডিসেম্বর রাতে উপজেলার মোগরাপাড়া চৌরাস্তা ফুটওভার ব্রিজের নিচ থেকে মিঠুকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে পাঠান সোনারগাঁও থানার এসআই মো. আরিফ ও স্থানীয় সাংবাদিক কামরুজ্জামান রানা।
পরদিন বিকেলে বিষয়টি তদন্ত করতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মিঠুর কাছে যায় পুলিশ। বিষয়টি নিয়ে প্রথমে টালবাহানা করলেও পরে খুলে বলেন মিঠু।
তিনি জানান, তিনি অতিরিক্ত হস্তমৈথুন করতেন। এতে তার পুরুষাঙ্গটি ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে যায়। একপর্যায়ে ভয় পেয়ে যান তিনি। ভবিষ্যতে বিয়ে করলেও কোনো সন্তান হবে না। এজন্য স্ত্রীর কাছে লজ্জা পেতে হবে। এসব ভেবে একটি পরিকল্পনার ছক আঁকেন।
পরিকল্পনা অনুযায়ী ৪ ডিসেম্বর রাতে নামাজ শেষে মসজিদের টয়লেটে গিয়ে ব্লেড দিয়ে পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলেন। এতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ও ব্যথা যন্ত্রণায় একটি অটোরিকশায় করে মোগরাপাড়া চৌরাস্তা আসেন। পরে রক্ত দেখে লোকজন তাকে জিজ্ঞেস করেন। পরে তিনি বলেন, দুর্বৃত্তরা তাকে অপহরণ করে পুরুষাঙ্গ কেটে দিয়েছে।
