শীতের তীব্রতা বাড়তে শুরু করেছে। তাপমাত্রার পারদ নেমে যাওয়ার পাশাপাশি দেশের বেশির ভাগ এলাকা কুয়াশায় ঢাকা পড়ছে। বিশেষ করে দেশের উত্তরাঞ্চলে শীতের তীব্রতায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ওই অঞ্চলের কয়েকটি জেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এই পরিস্থিতি আরও অন্তত দুই দিন থাকতে পারে।
আজ বুধবার সকালে পঞ্চগড়ে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা সাত দশমিক চার ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। একইসঙ্গে দিনাজপুর ও নীলফামারীর ওপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।
আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশিদ বলেন, ‘ভারতের দিল্লি, উত্তর প্রদেশ, বিহার হয়ে বাংলাদেশের ওপর দিয়ে মিয়ানমার পর্যন্ত ঘন কুয়াশার সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া আরব সাগর থেকে জলীয় বাষ্প ও কিছু মেঘ বাংলাদেশের দিকে ভেসে আসছে। আজ ও আগামীকাল দিল্লি-উত্তর প্রদেশে বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। যদি বৃষ্টি হয়, তাহলে কুয়াশা কেটে যাবে।’
উত্তরের তিন জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া শৈত্যপ্রবাহ আরও অন্তত দুই দিন থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ একেএম নাজমুল হক। তিনি বলেন, ‘আগামীকাল ও পরশু শৈত্যপ্রবাহ থাকতে পারে।’
তিনি বলেন, ‘ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা গতকালের চেয়ে বেড়েছে। আমাদের ধারণা, ঢাকার তাপমাত্রা আপাতত এর চেয়ে বেশি কমবে না।’
পূর্বাভাস অনুযায়ী, বুধবার দিবাগত মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশে মাঝারি থেকে অতি ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। অতি ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগে বিঘ্ন ঘটতে পারে।
অতি ঘন কুয়াশার কারণে দিনে ঠান্ডা পরিস্থিতি বিরাজ করতে পারে। আগামী অন্তত দুই দিন পরিস্থিতি একই রকম থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
