কার্যালয়ে নারীকে ধর্ষণ, পরে ভিডিও ধারণ করে টানা ৮ মাস ধর্ষণ করে চেয়ারম্যান

নজর২৪, গাইবান্ধা- আবারও ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছে গাইবান্ধা সদর উপজেলার লক্ষীপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান বাদল। মঙ্গলবার (২৪ নভেম্বর) দিবাগত রাতে ওই ইউনিয়নের লেংগাবাজার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

 

গ্রেপ্তার মোস্তাফিজুর রহমান বাদল ওই ইউনিয়নের মৌজা মালীবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা ও লেংগাবাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবেও কর্মরত আছেন।

 

ওই দিন সন্ধ্যায় তার বিরুদ্ধে আরও একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় বলা হয়, ধর্ষণের ভিডিও ফাঁসের ভয় দেখিয়ে গত ৮ মাস ধরে এক নারীকে ধর্ষণ করা হচ্ছে।

 

এর আগে, ২০১৭ সালের ৩ জুন চেয়ারম্যান বাদলকে তার নিজ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। সেই মামলায় কয়েক মাস কারাভোগ শেষে অন্তবর্তীকালীন জামিন পান তিনি।

 

গাইবান্ধা সদর থানার ওসি মাহফুজুর রহমান জানান, ধর্ষণের শিকার এই নারী চলতি বছরের ৩ মার্চ নাগরিক সনদপত্র আনতে লক্ষীপুর ইউনিয়ন পরিষদে যান। এ সময় চেয়ারম্যান বাদল তাকে নিজ কক্ষে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন এবং তার ভিডিও ধারণ করে রাখেন। পরে ভিডিও ফাঁস করার ভয় দেখিয়ে গত ৮ মাস ধরে ওই নারীকে ধর্ষণ করে আসছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান বাদল।

 

তিনি বলেন, “গত ১১ নভেম্বর ওই নারীর স্বামী বাড়িতে না থাকার সুযোগে চেয়ারম্যান বাদল তার বাড়িতে যায় এবং তাকে ধর্ষণ করে। এ সময় প্রতিবেশীরা বিষয়টি টের পেলে চেয়ারম্যান বাদল সেখান থেকে দ্রুত পালিয়ে যায়।”

 

এর আগের ধর্ষণ মামলা সম্পর্কে জানতে চাইলে গাইবান্ধা সদর থানার ওসি (তদন্ত) মজিবর রহমান জানান, ২০১৭ সালের ৩ জুন লেংগাবাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে মোস্তাফিজুর রহমান বাদলকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ।

 

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার মামলাটির অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। মামলাটি বিচারাধীন রয়েছে বলেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *