স্বরচিত ‘কাঁচা বাদাম’ গান গেয়ে রাতারাতি তারকা বনে যান ভারতের বীরভূমের বাদামবিক্রেতা ভুবন বাদ্যকর। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে গানটি। শিশু থেকে বৃদ্ধ দুই বাংলার মানুষের মুখে মুখে ‘কাঁচা বাদাম’ গান।
তবে ‘কাঁচা বাদাম’ শব্দদ্বয় এখন আর মুখে সীমাবদ্ধ নেই। জায়গা করে নিয়েছে নারীদের পোশাকেও। এখন প্রায় সব দোকানেই বিক্রি হচ্ছে এই নামের থ্রি পিস। সর্বনিম্ন ৭০০ টাকা থেকে শুরু করে এরচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে ‘কাঁচা বাদাম’ থ্রি পিস। বেচাবিক্রিও বেশ ভালো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।
মঙ্গলবার (১২ এপ্রিল) রাজধানীর ভাটারা থানার খিলবাড়ীরটেক মেইন রোডের (মধ্যপাড়া) পাশে দুটি দোকানে কাঁচা বাদাম থ্রি পিস বিক্রি করতে দেখা যায়।
ফারজানা বস্ত্র বিতানের স্বত্বাধিকারী মো. জাফর উদ্দিন বলেন, ‘মাসখানেক হলো তিনি দোকানে কাঁচা বাদাম থ্রি পিস তুলেছেন। বিক্রিও মোটামুটি ভালোই হচ্ছে। ৭০০ টাকা করে তিনি এ থ্রি পিস বিক্রি করছেন।’
মেসার্স বরিশাল বস্ত্রালয়ের মনির হোসেন জানান, তার দোকানে কয়েক ধরনের কাঁচা বাদাম থ্রি পিস রয়েছে। এরমধ্যে কালো রঙের থ্রি পিসের চাহিদা বেশি।
কাঁচা বাদাম থ্রি পিস বিক্রি বেশির কারণ কী এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘কাঁচা বাদাম গানটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। মানুষ বিষয়টি আগে থেকেই জানে। এছাড়া এ থ্রি পিসের কাপড়ও ভালো এবং কালারও চমৎকার। সবমিলিয়ে কাঁচা বাদাম থ্রি পিসের চাহিদা রয়েছে।’
ক্রেতারা বলছেন, পোশাকের কাটতি বাড়াতে স্থানীয়ভাবে ব্যবসায়ীরাই পোশাকের ওই নাম রেখেছেন। অপরদিকে বিক্রেতারা জানান, ‘কাঁচা বাদাম’ থ্রি পিসের নামকরণ স্থানীয়ভাবে করা হয়নি। এটি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান থেকেই করা হয়েছে। ক্রেতারা নাম শুনেই দেখাতে বলছেন, আর পছন্দ হলে নিয়েও যাচ্ছেন।
তারা জানান, ‘কাঁচা বাদাম’ গান সম্প্রতি সময়ের বেশ জনপ্রিয়। আর এ গানের সঙ্গে কোন এক ইউটিউবার নৃত্য করেছিলেন, যা গোটা নেট দুনিয়াতে ভাইরালও হয়েছিল। আর সেই ইউটিউবারের থ্রি-পিস যে ডিজাইনের ছিল, সেই রকম ডিজাইনেই ‘কাঁচা বাদাম’ থ্রি-পিস তৈরি।
