স্ত্রী-সন্তান রেখে স্কুলছাত্রীকে নিয়ে পালানোর সময় পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আবদুল মোমিন নামে এক যুবক।
পরে মুচলেকা দিয়ে মুক্তি পেয়েছে স্কুলছাত্রীসহ তিনজন। বুধবার রাতে এক মোটরসাইকেলে লালপুর থেকে ছাতারির দিকে তারা যাচ্ছিলেন। এ সময় সন্দেহ হলে টহলরত পুলিশ তাদের আটক করে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আবদুল মোমিনের ঘরে স্ত্রী ও দুই বছরের কন্যাসন্তান রয়েছে। স্ত্রী-সন্তান রেখে স্থানীয় অষ্টম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক হয়। মোমিন তার আরেক বন্ধু তসলিম উদ্দিনের সহায়তায় তারা পালিয়ে বিয়ে করার জন্য মোটরসাইকেল নিয়ে রাতে ছাতারির দিকে যাচ্ছিল।
এ সময় সন্দেহ হলে টহলরত পুলিশ তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যান। পরে তাদের অভিভাবকদের খবর দেওয়া হয়। রাত সাড়ে ১২টার দিকে অভিভাবকরা থানায় এসে মুচলেকা দিয়ে ছাড়িয়ে নিয়ে যান।
আবদুল মোমিন লালপুর উপজেলার বিলমাড়িয়া ইউনিয়নের মোহরকয়া গ্রামের মাহাবুল ইসলামের ছেলে। সে একজন সাউন্ড সিস্টেমের ব্যবসা করে। আরেকজন পাইকপাড়া গ্রামের মুক্তার হোসেনের ছেলে তসলিম উদ্দিন। সে পেশায় রাজমিস্ত্রি।
এ বিষয়ে বাঘা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল করিম বলেন, ‘সংশোধনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মুচলেকা দেয় তাঁরা। পরে অভিভাবকের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে তাঁদের।’
