Home দেশের খবর বিধবা নারীকে বিয়ের শর্তে জামিন পেলেন সেই এসআই

বিধবা নারীকে বিয়ের শর্তে জামিন পেলেন সেই এসআই

0
112

পঞ্চগড়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক বিধবাকে ধ র্ষ ণের অভিযোগে কারাবন্দী কুড়িগ্রাম সদর থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল জলিলের জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার (২৩ মার্চ) বিকেলে জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মেহেদী হাসান তালুকদার এ আদেশ দেন।

পরে জেলা আইনজীবী সমিতির ভবনে সাত লাখ ৯৫ হাজার টাকা দেনমোহরে ওই নারীকে বিয়ে করেন পুলিশের এসআই আব্দুল জলিল।

আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আজিজার রহমান আজু বলেন, বাদী-আসামির বিয়ের কাবিন দাখিল করার শর্তে আদালত তাকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন।

তিনি আরও জানান, এর আগে ২৩ জানুয়ারি ওই মামলায় এসআই আব্দুল জলিলের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। পরে তিনি উচ্চ আদালতের রায়ে ছয় সপ্তাহের জামিনে ছিলেন। জামিনের মেয়াদ শেষ হলে ২০ মার্চ আদালতে আত্মসমর্পণ করে স্থায়ী জামিনের আবেদন করলে আদালত জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বুধবার (২৩ মার্চ) বিকেলে পঞ্চগড় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মেহেদী হাসান তালুকদার তার জামিন মঞ্জুর করেন।

ভুক্তভোগী ওই নারী (৪৩) বলেন, এতদিন আব্দুল জলিলের কাছে আমি স্ত্রীর স্বীকৃতি পাইনি। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আদালতে মামলা করার পর আমি ন্যায় বিচার পেয়েছি।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালের ৩০ এপ্রিল জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে পঞ্চগড় সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন এক বিধবা। সেই জিডি তদন্ত করতে গিয়ে তৎকালীন পঞ্চগড় সদর থানার এসআই আব্দুল জলিল ওই নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এরপর তিনি ভুয়া কাবিননাম করিয়ে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। বিয়ের কাবিননামা চাইতে গেলে জলিল বিয়ের কথা অস্বীকার করেন।

পরে ওই নারী ২০২০ সালের ৬ অক্টোবর পঞ্চগড় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন। আদালত মামলটি তদন্তের জন্য অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে দায়িত্ব দেন। গত ২০ জানুয়ারি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here