নজর২৪, নারায়ণগঞ্জ- নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় এক তরুণীর সঙ্গে প্রেমের ছলে ৪ বছর শারীরিক সম্পর্ক করে ইসতিয়াক আহম্মেদ নামে এক যুবক। পরে অন্যত্র বিয়ের খবরে ওই তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে গায়ে হলুদ মাখা অবস্থায় ইসতিয়াককে গ্রেফতার করে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার রাতে ফতুল্লার পশ্চিম দেওভোগ নাগবাড়ি এলাকার নিজবাড়িতে ইসতিয়াকের হলুদ সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়। সেখান থেকেই তাকে গ্রেফতার করা হয়। শুক্রবার দুপুরে ধর্ষণ মামলায় তাকে নারায়ণগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করে পুলিশ। আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণ করেছেন।
ইসতিয়াক আহমেদ নাগবাড়ি এলাকার মিজানুর রহমানের ছেলে। মামলার বাদী ও ইসতিয়াক আহমেদের প্রেমিকা পার্শ্ববর্তী বাবুরাইল তাঁতীপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
মামলায় ওই তরুণী অভিযোগ করেন, গত চার বছর আগে ইসতিয়াকের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরপর বিভিন্ন সময় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ইসতিয়াক তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করতে বাধ্য করে। বিয়ের আশ্বাস ও প্রলোভনের এক পর্যায়ে নাগবাড়ি মন্দির সংলগ্ন জিকু মিয়ার বাড়ির তিন তলায় ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে ধর্ষণ করতে থাকে। সর্বশেষ ২০১৯ সালের ২৫ ডিসেম্বরও ওই ফ্ল্যাটে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে ইসতিয়াক। এরপর থেকে বিয়ের ব্যাপারে কথা বললে ইসতিয়াক নানাভাবে টালবাহানা শুরু করে এবং বিয়ে না করার পাঁয়তারা করতে থাকে।
গত ১৪ অক্টোবর সন্ধ্যায়ও তাকে বিয়ে করার কথা বলে বিয়ে করেনি। উল্টো জানিয়ে দেয় সে বাবা মায়ের পছন্দে অন্যত্র বিয়ে করবে এবং তাকে যেন বিরক্ত না করে সেজন্য গালাগাল করেন ইসতিয়াক। পরে ওই তরুণী জানতে পারেন ইসতিয়াক গোপনে বিয়ে করছে। বিষয়টি তিনি তার অভিভাবকদের জানিয়ে থানায় অভিযোগ করেন।
ফতুল্লা থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) শফিকুল ইসলাম জানান, মেয়েটির অভিযোগ পেয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় ইসতিয়াককে গ্রেফতার করা হয়। ঘটনার সত্যতা পেয়ে অভিযোগটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়। ইসতিয়াক এখন কারাগারে রয়েছে।
