কুমিল্লার ঘটনায় পুলিশের ৪ মামলা

নজর২৪, কুমিল্লা- কুমিল্লায় কোরআন শরিফ অবমাননা ও শহরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপে প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে চারটি মামলা করেছে। কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলাগুলো দায়ের করা হয়।

 

এর মধ্যে একটি মামলা হয়েছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে। এই মামলায় আসামি করা হয়েছে পবিত্র কোরআন শরিফ পাওয়ার অভিযোগ তুলে ফেসবুকে লাইভ করা সেই ফয়েজ আহমেদকে।

 

ফয়েজকে এরই মধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে অন্য তিনটি মামলায় কতজনকে আসামি করা হয়েছে সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানান হয়নি। পুলিশ বলছে, এখন পর্যন্ত ৪১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার (১৪ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলন হয়।

 

সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে সংবাদকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান বলেন, ‘বুধবারের ঘটনায় আপনারা ভালো ভূমিকা রেখেছেন।’

 

তিনি বলেন, ‘আমরা মসজিদের ইমামদের সঙ্গে বৈঠক করেছি। তারা শুক্রবার জুমার খুতবায় সবাইকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানাবেন। পাশাপাশি গুজবে যেন কেউ কান না দেয় সে ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক করবেন।’

 

কুমিল্লা নগরীর নানুয়ার দিঘীর উত্তরপাড়ের একটি পূজামণ্ডপে কোরআন শরিফ পাওয়ার অভিযোগ তোলার পর শহরে ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা।

 

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মোতায়েন করা হয় পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবির বিপুল সংখ্যক সদস্য। তবে আলোচিত মণ্ডপের পূজার আয়োজকেরা বলছেন, সেখানে পবিত্র কোরআন শরিফ কী করে এলো সে বিষয়ে তাদের কোনো ধারণা নেই। বুধবার সকালে বিষয়টি পূজারিদের নজরে আসে। এর আগে গভীর রাত পর্যন্ত পূজা উদযাপন শেষে মণ্ডপটি জনশূন্য ছিল।

 

কুমিল্লার ঘটনায় দেশের বিভিন্ন স্থানে পূজা মণ্ডপের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ২২ জেলায় মোতায়েন করা হয়েছে বিজিবি। চাঁদপুরের একটি উপজেলায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *