নজর২৪, ঢাকা- ধর্মান্ধতা প্রতিরোধ না করলে দেশকে আফগানিস্তানের পরিণতি বরণ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন।
শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর তোপখানা রোডে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বাংলাদেশ নারী মুক্তি সংসদ আয়োজিত ‘নারীর প্রতি সহিংসতা ও বৈষম্য বন্ধ ও করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত নারীদের আর্থিক প্রণোদনা প্রদানে’র দাবিতে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মেনন বলেন, ‘আফগানিস্তানে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের সঙ্গে আঁতাত করে ধর্মান্ধ তালেবানরা ক্ষমতা দখল করেছে। সেখানে গঠিত মন্ত্রিসভায় কোনো নারীকে স্থান দেওয়া হয়নি। স্কুল-কলেজ এমনকি কর্মক্ষেত্রেও নারীকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তালেবানরা আবারও নারীকে গৃহবন্দি করে রেখেছে।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশেও ধর্মান্ধ গোষ্ঠী ও ইউটিউবসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নারীকে বর্বরোচিত ও রুচিহীনভাবে ‘ট্রল’ করা হয়। এরা তালেবানদেরই দোসর। এরা নারীকে পদদলিত ও কোণঠাসা করে রাখতে চায়। নারীর তথা মানুষের সার্বজনীন অধিকার আদায়ে আমাদের রয়েছে গৌরবজনক ঐতিহ্য ও সংগ্রামের ইতিহাস। নারীর প্রতি সহিংসতা রোধ ও সকল প্রকার বৈষম্য নিরসনে সেই সংগ্রাম থেকে প্রেরণা নিয়ে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।’
ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি বলেন, ‘নারীর ক্ষমতায়ন ও লিঙ্গ সমতা প্রতিষ্ঠার লড়াই নারীর একার নয়। এটি নারী-পুরুষের সার্বজনীন লড়াই। নারীর প্রতি সহিংসতা ও বৈষম্য রোধ করতে দৃষ্টিভঙ্গিগত পরিবর্তন ও মাঠের লড়াইকে যুগপৎ এগিয়ে নিতে হবে। এ ছাড়া নারীর সামগ্রিক মুক্তি অর্জন সম্ভব নয় ‘
নারী মুক্তি সংসদের সভাপতি হাজেরা সুলতানার সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শিউলী শিকদারের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন অ্যাডভোকেট জোবায়দা পারভীন, অ্যাডভোকেট সুরাইয়া বেগম, মোস্তফা আলমগীর রতন, শাহানা ফেরদৌসী লাকী, কাজী আবদুল মোতালেব জুয়েল, রাজিয়া সুলতানা প্রমুখ।
