নজর২৪ ডেস্ক- কওমি মাদরাসাগুলো খুলে দিতে এবং কারাগারে থাকা আলেমদের মুক্তির দাবি নিয়ে বুধবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন দেশের শীর্ষ আলেমদের একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার দুপুর ২টায় আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি আতিল কওমিয়া বাংলাদেশের চেয়ারম্যান এবং বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের সভাপতি আল্লামা মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে ৮ জনের একটি প্রতিনিধিদল সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
প্রতিনিধি দলের মধ্যে ছিলেন মাওলানা নূরুল ইসলাম, আব্দুল কুদ্দুস, মাহফুজুল হক, মুফতি ফয়জুল্লাহ, নূরুল আমীন, মোহাম্মদ আলী এবং মাওলানা ইয়াহইয়া মাহমুদ।
বিষয়টি নিশ্চিত করে আল-হাইআতুল উলয়ার অফিস সম্পাদক অছিউর রহমান জানান, শিগগিরই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে মাদ্রাসা খুলে দেয়ার ব্যাপারে আশ্বাস দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
অছিউর বলেন, ‘মাদ্রাসা খুলে দেয়া ছাড়াও দ্রুত সব আলেমদের মুক্তির বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে দাবি জানানো হয়েছে।’
মাহমুদুল হাসান জানান, কওমি মাদ্রাসাগুলোতে কোরআন-হাদিসভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম চালানো হয় এবং কোরআন তেলাওয়াত, যিকির, দোয়া, তাহাজ্জুদ ও পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায় করে মহামারি ও বালা-মসিবত হতে মুক্তির জন্য বিশেষভাবে মোনাজাত করা হয়। এর মাধ্যমে আল্লাহ তাআলার অশেষ রহমতে জাতি করোনাসহ সবরকম বালা-মসিবত থেকে পরিত্রাণ পেতে পারে।
জবাবে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে অতি দ্রুত হিফজ ও মক্তব বিভাগ খুলে দেওয়া হবে এবং পর্যায়ক্রমে সারাদেশের কওমি মাদ্রাসা ও অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালুর আশু পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
যেসব আলেম-উলামা, মাদ্রাসার ছাত্র ও ধর্মপ্রাণ মুসলমান জেলখানায় বন্দি আছেন তাদের দ্রুত মুক্তি দেওয়ার এবং যারা আত্মগোপনে আছেন বা হয়রানির শিকার তাদের হয়রানি বন্ধের জোর দাবি জানান।
জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আলেম-উলামাদের অনেককে জামিন দেওয়া হচ্ছে। এ সময় মাহমুদুল হাসান জামিনের প্রক্রিয়া আরও দ্রুততর করার দাবি জানান।
