ফেনীর বাজারে বাহারি খেজুরের সমারোহ

আবদুল্লাহ রিয়েল, ফেনী প্রতিনিধি: রমজানে খেজুর ছাড়া যেনো ইফতার পূর্ণতা পায় না। স্বাদ ও পুষ্টিতে ভরা খেজুরের চাহিদা রমজান মাসে ঢের বেশি। পবিত্র রমজানে ফেনীতে নানা দামে হরেক রকমের খেজুরের বেচাবিক্রি বেড়েছে।

 

শহরের খেজুর দোকানগুলোতে গিয়ে দেখা গেছে, বিক্রেতারা সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ মানের খেজুর কেজি প্রতি ১২০-২ হাজার টাকা চাইছেন। ভালো মানের মেডজুল খেজুর ১৪০০টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। প্রকারভেদে আজোয়া খেজুর কেজির দরে বিক্রি করছেন ৮০০-১৪০০ টাকা।

 

আর সর্বাধিক চাহিদার মরিয়ম খেজুর বিক্রি হচ্ছে ৫০০-১০০০ টাকায়। বড় মসজিদ মার্কেটের খেজুর ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন বেলাল জানায়, মান ভেদে খেজুর প্রতি কেজি ২০০ থেকে সর্বোচ্চ১৪০০টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। সস্তার মধ্যে রয়েছে দাবাস ও লুলু দর প্রতি কেজি ২০০-২২০টাকা।

 

এছাড়া মধ্যম মানের খেজুর বিক্রি হচ্ছে- সুক্কারী ৫০০ টাকা, সুগাই ৪০০ টাকা সুফরি ৩০০ টাকা ও আনবার ৬০০ টাকা দরে। মবরুফ ও মজদুল খেজুরের দর ৮০০ টাকা।তিনি বলেন, ইদানিং মানুষ পুষ্টিকর খাবারের প্রতি বেশি ঝুঁকছে।

 

কারোনা সংক্রমণের প্রথম থেকে মধু, কালোজিরা, বাদাম ও খেজুরের চাহিদা অনেক বেড়েছে। রমজান আসায় খেজুরের বেচাবিক্রিতে চাপ বেশি।দিল মোহাম্মদ সুমন নামের এক বিক্রেতা বলেন, আজোয়া ও মরিয়ম খেজুর বেশি বিক্রি হচ্ছে। সারাবছর খেজুর থাকলেও রমজানে খেজুরের চাহিদা বাড়ে।

 

ভালো মানের পণ্য প্রতি ক্রেতার আগ্রহ বাড়তি থাকেই। আগের বছরে চেয়ে এখন ক্রেতারা ভালো মানের খেজুর কিনে রাখছে। আইয়ুব আলী নামে এক ক্রেতা বলেন, ইফতারির মেনুতে খেজুর রাখতেই হয়। প্রতিদিনের ইফতারিতে বিশেষ কিছু না থাকলেও খেজুর থাকে। খেজুর দিয়ে ইফতারি শুরু করি। দাম কিছুটা বেশি হলেও কিনতে হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *