নজর২৪ ডেস্ক- রাজশাহীর পুঠিয়া পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র আল মামুন খানের অফিসে বিয়ের দাবিতে এক সিনিয়র নার্সের অবস্থানের পর পুলিশ তাকে স্থানীয় থানায় নিয়ে গেছে বলে জানা গেছে।
রোববার (১১ এপ্রিল) দুপুরে অফিসে গিয়ে তিনি বিয়ের দাবিতে অবস্থান নেন। ওই নার্স অন্তঃসত্ত্বা বলেও দাবি করেন। পরে সন্ধ্যায় পুলিশ তাকে সেখান থেকে পুঠিয়া থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনায় রোববার রাতে মামুনের বিরুদ্ধে ধ’র্ষণের মামলা করেন ওই নারী।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০১৯ সালে দুর্গাপুর থানার বাসিন্দা ওই নারী পুঠিয়ার একটি ক্লিনিকে কাজ করতেন। সে সময় মামুন তাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধ’র্ষণ করেন। এরপর তিনি প্রায়ই তাকে ধ’র্ষণ করতেন। সম্প্রতি ওই নারী বিয়ের জন্য মামুনকে চাপ দিলে তিনি তাকে এড়িয়ে যেতে থাকেন। রোববার দুপুরে বিয়ের দাবিতে মামুনের পুঠিয়া সদরের চেম্বারে উপস্থিত হন। ওই নারীকে নির্যাতন করে বের করে দেওয়া হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। রাতে থানায় তিনি মামলা করেন।
পুঠিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহরাওয়ার্দী জানান, পরে খবর পেয়ে পুলিশ ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে থানায় নেয়। রাতে তিনি বাদী হয়ে মেয়রের নামে ধ’র্ষণের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন। আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
এর আগে সন্ধ্যায় পৌর মেয়রের অফিসে বিয়ের দাবিতে অবস্থান নেয়া ওই নার্স জানান, প্রায় দুই বছর আগে বর্তমান মেয়র আল মামুন খানের সঙ্গে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে তার পরিচয় হয়।
পরিচয়ের পর ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। মন দেয়া-নেয়ার সময় তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্কও হয়। এরপর তিনি অন্তঃসত্ত্বা হন। এই কথা জানিয়ে আল মামুন খানকে বিয়ের জন্য বলা হয়। কিন্তু তিনি বিয়ে করবেন না বলে জানান।
তবে এ ব্যাপারে মোবাইলে কোনো কথা বলতে রাজি হননি পুঠিয়া পৌরসভার মেয়র আল মামুন।
