আকাশের বজ্র হয়ে মৌলবাদ প্রতিহত করবে ছাত্রলীগ: সাদ্দাম

নজর২৪, ঢাকা- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ডাকসু সাবেক এজিএস সাদ্দাম হোসেন বলেছেন, স্বাধীন বাংলাদেশকে রক্ষণশীলতার চাদরে আবদ্ধ করার জন্য ষড়যন্ত্র কর করছে। যারা এ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছেন তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, ‘বাঙলা মায়ের কোলে আমরা যেমন শান্তি প্রিয় শান্ত ছেলে হয়ে থাকতে জানি, ঠিক একইভাবে মৌলবাদ প্রতিহতে আমরা আকাশ থেকে বজ্র হয়েও ঝরতে জানি’।

 

বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি সংলগ্ন রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের উদ্যোগে আয়োজিত উগ্র সাম্প্রদায়িকতা ও সন্ত্রাস বিরােধী বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

 

সাদ্দাম বলেন, বাংলাদেশ রাষ্ট্র কীভাবে পরিচালিত হবে এটি নতুন করে মীমাংসা করার কিছু নেই। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার অর্জনের মধ্যদিয়ে আমরা এটি মীমাংস করে এসেছি। ধর্ম নিরপেক্ষা বাঙলী জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতেই বাংলাদেশ পরিচালতি হবে।

 

তিনি বলেন, এ বাংলাদেশে আজকে আমরা মৌলবাদী তাবেদার গোষ্ঠীর আস্ফালন দেখতে পাচ্ছি। তারা এ স্বাধীন বাংলাদেশকে রক্ষণশীলতার চাদরে আবদ্ধ করার জন্য ষড়যন্ত্র কর করছে। আজকের বাংলাদেশে উগ্র সাম্প্রদায়িকতাকে কেন্দ্র করে মৌলবাদী শক্তির বিরুদ্ধে ছাত্র সমাজ ফুসে উঠেছে।

 

বিক্ষোভ সমাবেশে ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, “আমি নষ্ট-ভ্রষ্ট মামুনুল হককে উদ্দেশ্য করে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলতে চাই, মাইকের সামনে বসে বড় বড় কথা না বলে সাহস থাকলে ছাত্রলীগের সাথে মোকাবেলা করেন। অনেক দেখেছি, ৫ই মে ওই শাপলা চত্বরে খুব বড় বড় কথা বলেছেন। পরে আমরা কী দেখলাম, ওই মামুনুল হক লেজ গুঁটিয়ে পালিয়েছে। সুতরাং চিল্লায়া মার্কেট পাওন যাবে না। …পেটটা ভালোই বাড়ছে খাইতে খাইতে।

 

“বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা পাঁচ মিনিটে সারা বাংলাদেশ অচল করে দিতে পারে, সেই ক্ষমতা আমাদের আছে। আমরা যদি মাঠে নামি আপনারা একজনও পালানোর সময় পাবেন না।”

 

মামুনুল হক ‘জঙ্গিবাদীদের নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে’ মন্তব্য করে প্রশাসনের উদ্দেশে ছাত্রলীগ সভাপতি বলেন, “জঙ্গিবাদীদের নিয়ে যারা এগিয়ে যায়, সাম্প্রদায়িকতাকে নিয়ে যারা এগিয়ে যায়, তাদের কিন্তু এখনই লাগাম টানতে হবে। তাদের যে লেজ হয়েছে, সেই লেজ কেটে দেওয়ার সময় এসেছে।”

 

মাদ্রাসা ছাত্রদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “এই মামুনুল হক আমাদের নবীকে ঠোট নাড়ানো দেখিয়ে অপরাধ তো করেছেনই, শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। কিন্তু আমরা কোনো ইসলামী সংগঠন বা ব্যক্তিকে তার বিরুদ্ধে কথা বলতে দেখিনি। তাহলে আমরা কী ভাবব, আপনারা সব জায়গায় এক রকম আর দেশের প্রশ্নে পাকিস্তানের এজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করেন। তাইলে তো হবে না।”

 

ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য বলেন, “যারা বঙ্গবন্ধু ভাস্কর্যের বিরোধিতা করছে তারা দেশদ্রোহী। জামাত-শিবির রাজাকারদের যেভাবে একটি একটি করে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছে, আপনারাও কিন্তু সেই পথে ধাবিত হচ্ছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *