মো. সানোয়ার হোসেন, মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) হিসেবে কর্মরত আবুল কালাম। গত ২ বছরে হারানো ও চুরি-ছিনতাই হওয়া দুই শতাধিক মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছেন। তিনি এরআগে সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেপ্তারের জন্য টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ সুপারের কাছ থেকে পুরস্কার পেয়েছেন।
জানা যায়, মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া থানার পুনাইল গ্রামের আহসান উল্লাহ’র ছেলে মো. আবুল কালাম ২০০৫ সালে পুলিশ সদস্য পদে ভর্তি হন। এরপর দেশের বিভিন্ন জেলায় চাকরি করে ২০১৩ সালে পদোন্নতি পেয়ে সহকারী উপ-পরিদর্শক হন। সবশেষ মির্জাপুর থানায় যোগদানের পর থেকে দুই বছরে কর্মস্থলের আওতাধীন এলাকার বিভিন্ন স্থানে হারিয়ে যাওয়া মোবাইল উদ্ধারের জন্য অনেকেই পুলিশের এই এএসআই কালামের কাছে দারস্ত হয়। উদ্ধারের ক্ষেত্রে দুই তিনদিন থেকে শুরু করে পাঁচ থেকে ছয় মাস পর্যন্ত সময় লাগে তার।
এএসআই আবুল কালাম বলেন, মোবাইল ফোন উদ্ধারের ক্ষেত্রে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মির্জাপুর সার্কেল এস.এম মনসুর মূসা স্যারের দিকনির্দেশনা ও ওসি মাসুদ করিম স্যারের সার্বিক তত্বাবধানে আমি এই মোবাইল ফোনগুলো উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি। আমি মোবাইল দামি-কম দামের বিষয়টি দেখিনা। যতো কম দামেরই হোক বা গরিব রিকসা চালক বা শ্রমিক যারই মোবাইল ফোন হোক না কেনো সবার ক্ষেত্রেই সমান গুরুত্ব দেই, কারণ অনেক মূল্যবান জিনিস হারিয়ে গেলে মানুষ ততোটা কষ্ট পায়না যতোটা পায় একটি মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে। মোবাইল ফোন উদ্ধার করে ভুক্তভোগীকে যখন বলি আপনি একটা জিডি করেছিলেন, আপনার ফোনটি উদ্ধার হয়েছে তখন অনেকে বিশ্বাস করতে চায়না।
এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ শেখ আবু সালেহ্ ওসি মাসুদ করিম বলেন, পুলিশ মানুষের সেবা দেয়ার জন্যই সার্বক্ষণিক কাজ করে, সেবারই অংশ হিসেবে কালাম ভালো কাজ করছেন। তার উপর অর্পিত সকল দায়িত্ব পালন করেই তিনি এ কাজ করছেন।
এসএইচ
