বুবলী, গতকাল সকাল সকালই পৌঁছে গেলেন সোনারগাঁও হোটেলে। চারদিকে কড়া নিরাপত্তা। এখানেই একটি ছবির গানের শুটিংয়ে অংশ নেবেন তিনি। বুবলীকে বহন করা গাড়িটি গিয়ে হোটেলের প্রবেশপথের সামনে গিয়ে থামল। সেখানে আগেই শুটিং টিম নিয়ে প্রস্তুত ছিলেন ছবির নির্মাতা তপু খান।
তিনি ও টিমের লোকজন এগিয়ে গিয়ে বুবলীকে ভিতরে নিয়ে গেলেন। লোকজন যদি জানতে পারেন আজ এখানে শাকিব-বুবলীর শুাটিং আছে তাহলে হুমড়ি খেয়ে পড়বে। তাই কঠোর গোপনীয়তার মধ্য দিয়ে সব আয়োজন সারছেন নির্মাতা। চলমান ইস্যুতে যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানোর জন্যই এ ব্যবস্থা।
গাড়ি থেকে নামলেন বুবলী, চোখে-মুখে তাঁর কিছুটা লজ্জা আর সংকোচের ছাপ, ধীরে ধীরে অবশ্য পরে স্বাভাবিক হয়ে আসছিলেন। শুটিং স্পটে গিয়ে এদিক-সেদিক বিক্ষিপ্তভাবে তাকাচ্ছিলেন, তাহলে কী বুবলী তাঁর সন্তান বীরের বাবা শাকিব খানকেই খুঁজছিলেন। না, তখনো এই আলোচিত নায়ক সেখানে এসে পৌঁছাননি।
ছবির নাম ‘লিডার আমিই বাংলাদেশ’, গানটির শুট করা শেষ হলে মুক্তির জন্য প্রস্তুত হয়ে যাবে ছবিটি। মধ্যে দীর্ঘদিন শাকিব আমেরিকায় অবস্থান করায় দুটি গানের জন্য ছবিটির মুক্তি আটকে যায়, না হলে গত ঈদেই লিডারের মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল।
একসময় শাকিব খানের গাড়ি এসে হোটেলে প্রবেশ করল, হোটেলের কর্তব্যরত লোকজন তাঁকে দেখতে উৎসুক হয়ে উঠলেও তাঁর ধারেকাছে কেউ যেতে পারলেন না। সোজা মেকআপ রুমে চলে গেলেন কিং খান। বেশ স্বাভাবিকই দেখা যাচ্ছিল তাঁকে, কোনো জড়তা নেই তাঁর মধ্যে।
জানা গেছে, শাকিব খান ও বুবলী দুজনে শুটিং করছেন ঠিকই, কিন্তু শুটিংয়ের বাইরে তাঁরা কেউ কারও দিকে একবারের জন্যও তাকাননি। এমনকি দৃশ্য ধারণ শেষে দুজনে দুজনের মতো করে আলাদা জায়গা বসেছিলেন। লম্বা বিরতি যখন ছিল, তখন তাঁরা যাঁর যাঁর রুমে চলে যান।
ইউনিট–সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঢাকার এই পাঁচতারকা হোটেলে দুজনের জন্য আলাদা দুটি কক্ষ ভাড়া করেন ছবির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। তাঁদের জন্য বরাদ্ধ করা কক্ষ দুটির নম্বর হচ্ছে ৭১০ ও ৭১২।
ছবির পরিচালক তপু খান বলেন, ‘শুটিংয়ে দুজন ভীষণ আন্তরিক ছিলেন। সময়ের আগে তাঁরা শুটিং সেটে এসে পৌঁছান। আমরাও সুন্দরভাবে শুটিং করেছি। রাত সাড়ে নয়টার দিকে শাকিব ভাই তাঁর অংশের শুটিং শেষ করেছেন। আর রাত ১১টায় শেষ হয় বুবলীর শুটিং।
