বিয়ের পর স্টক বিজনেস করছেন মামুন, পদোন্নতি শিক্ষিকার

ফেসবুকে পরিচয় ডিভোর্সি কলেজ শিক্ষিকা নাহারের সঙ্গে একই উপজেলার কলেজছাত্র মামুনের। প্রথমে দু’জনার বিষয়টি গোপন রেখেই ছয় মাস চলে এই অসম প্রেম। পরে দু’জনেই নিজেদের মধ্যে দূরত্ব ভুলে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন।

দু’জনের মতে বিয়ে করলেও গোপনেই চলতে থাকে তাদের পরিণয়। তবে সম্প্রতি ৬ মাসের লুকোচুরি কাটিয়ে শহরে বাসা নিয়ে সংসার করছেন ওই দম্পতি। আর তারপরই বিষয়টি জানাজানি হলে আলোচনা আর সমালোচনায় রূপ নিয়েছে ৪০ বছরের কলেজ শিক্ষিকা নাহারের সঙ্গে ২২ বছর বয়সী কলেজছাত্র মামুনের বিয়ে ও প্রেম কাহিনী।

তবে বিয়েটি মামুনের পরিবার মেনে নিলেও মেনে নেয়নি নাহারের পরিবার। তাই নাহার এলাকা ও কর্মস্থল ছেড়ে এসে নাটোর শহরে বাসা নিয়েছেন ওই দম্পতি।

জানা যায়, বিয়ে পর থেকে বেশ কিছুদিন ধরে মামুন হোসেন স্টক বিজনেস শুরু করেছেন। একই সঙ্গে পাট, ধান, গম, সরিষাসহ অপচনশীল কৃষিপণ্য নিয়ে কাজ করছেন তিনি। অন্যদিকে তার স্ত্রী খুবজীপুর এম হক ডিগ্রি কলেজের পদোন্নতি পেয়ে সহকারী অধ্যাপক হয়েছেন।

কলেজছাত্র মামুন বলেন, প্রায় সাত মাস আগে আমরা দুজন বিয়ে করেছি। এ বিষয়ে কে কি বলল সেগুলো মাথায় না নিয়ে নিজেদের মতো সংসার গুছিয়ে নিয়েছি। তবে আমি তার কলেজের ছাত্র নই। আমি নাটোর এন এস সরকারি কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। আর আমার স্ত্রী খুবজীপুর মোজাম্মেল হক ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক। আমাদের বিয়ের সময় সে প্রভাষক ছিলেন। প্রায় দুই মাস আগে পদোন্নতি পেয়ে সহকারী অধ্যাপক হয়েছেন।

উল্লেখ্য, গুরুদাসপুর উপজেলার খুবজীপুর এম হক ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোছা. খাইরুন নাহার। তার রাজশাহীর বাঘায় প্রথম বিয়ে হয়েছিল। পারিবারিক কলহে সংসার বেশি দিন টেকেনি তার। তবে ওই ঘরে একটি সন্তান রয়েছে।

পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ২০২১ সালের ২৪ জুন তাদের পরিচয় হয় মামুন হোসেনের সঙ্গে। এরপর থেকে গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। একপর্যায়ে ২০২১ সালের ১২ ডিসেম্বরে বিবাহবন্ধনে আবন্ধ হন তারা। তবে সপ্তাহখানেক আগে তাদের বিয়ের বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *