একবার বলে যাও কেন আমার হলে না: বাপ্পি চৌধুরী

বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে হঠাৎ বিয়ের খবর দেশের ‘জাতীয় ক্রাশ’ খ্যাত অভিনেত্রী পূর্ণিমার। খবরটা নিজেই দিয়েছেন গণমাধ্যমকে। পাত্র আশফাকুর রহমান রবিন। তিনি পেশায় বহুজাতিক একটি কম্পানির মার্কেটিং বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা।

পড়াশোনা করেছেন সিডনির একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে থেকে উচ্চতর ডিগ্রি নিয়েছেন। গত ২৭ মে পূর্ণিমা ও রবিনের দুই পরিবারের সম্মতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। বর্তমানে নবদম্পতি রাজধানীর একটি অভিজাত এলাকায় একই ছাদের নিচে বসবাস করছেন।

পূর্ণিমার বিয়ের খবরে তাকে শুভকামনা জানিয়েছেন প্রাক্তন স্বামী আহমেদ ফাহাদ জামাল। তবে পূর্ণিমার বিয়ের খবরে মন খারা ঢাকাই সিনেমার নায়ক বাপ্পি চৌধুরীর। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন সোশ্যাল হ্যান্ডেলে।

বাপ্পি নব দম্পতির ছবি পোস্ট করে একটি জনপ্রিয় বিচ্ছেদী গানের ছয়টি লাইন তুলে ধরেছেন। তিনি লেখেন, ‘ভাবিনি কখনো যাবে চলে, এভাবে আমাকে একা ফেলে। স্বপ্ন নিজের হাতে ভাঙলে তুমি, একা কেঁদে কেঁদে ক্লান্ত আমি। প্রতিশোধ নেবে নাও আমি বাধা দেবো না, একবার বলে যাও কেনো আমার হলে না। ‘

এরপরই বিরহের ইমো দিয়ে লিখলেন- তবুও কনগ্রেচুলেশন!

বাপ্পি চৌধুরী পূর্ণিমাকে লক্ষ্য করে দেওয়া এই কথাগুলো নিয়েছেন ইথুন বাবুর কথা-সুরে সুপারহিট গান আসিফের গাওয়া ‘ও প্রিয়া’ থেকে।

এদিকে বাপ্পির এমন প্রতিক্রিয়া মুহূর্তেই ভাইরাল হলো সোশ্যাল হ্যান্ডেলে। প্রশ্ন জাগলো তবে কি তাদের মধ্যে কিছু চলছিলো! জবাবে বাপ্পি বললেন, ‘আমরা একসঙ্গে চলারই সুযোগ পাইনি। মন দেওয়া-নেওয়ার সুযোগ পেলাম কই! হ্যাঁ তিনি আমার পছন্দের নায়িকা। আফসোস আমরা একসঙ্গে একটি মুভিও করতে পারিনি।’

তবে কী পর্দায় নায়িকা হিসেবে পাননি বলেই এই বিরহ প্রতিক্রিয়া? বাপ্পির ভাষ্য, ‘পর্দার আশা এখনও মরে যায়নি! বিয়ে মানেই তো শেষ নয়। বরং নতুন করে শুরু। তাদের দাম্পত্য জীবন সুখের হোক সেই প্রত্যাশা করি। আর স্ট্যাটাস দিয়েছি হৃদয় থেকেই। আপু তো আমার ক্রাশ।’

এর আগে গত বছরের ১১ জুলাই পূর্ণিমার জন্মদিনে তাকে উইশ করেছিলেন বাপ্পি। বলেছিলেন, ‘আপনি আমার ক্রাশ। এজন্য এখনও বিয়ে না করে আপনার জন্য অপেক্ষা করছি। শুভ জন্মদিন পূর্ণিমা আপু।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *