Home ফিচার পদ্মা সেতু উদ্বোধনের উৎসব সারাদেশে চান প্রধানমন্ত্রী

পদ্মা সেতু উদ্বোধনের উৎসব সারাদেশে চান প্রধানমন্ত্রী

0
111

ঢাকা: দুর্নীতিচেষ্টার মিথ্যে অভিযোগ, প্রাকৃতিক প্রতিকূলতা, রাজনৈতিক বাদানুবাদ, গুজবসহ নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে খরস্রোতা পদ্মার বুক চিড়ে নির্মিত পদ্মা সেতু খুলে দেয়া হচ্ছে ২৫ জুন, শনিবার। সেদিন শুধু পদ্মাপাড়ে নয়, সারা দেশে উৎসবমুখরতা দেখতে চান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার সকালে গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু দারিদ্র্য বিমোচন ও পল্লী উন্নয়ন একাডেমি এবং রংপুরে পল্লী জনপদের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতু উদ্বোধনের উৎসব শুধু পদ্মাপাড়ে হবে না, সারা বাংলাদেশে উৎসবটা করবেন। আমি চাচ্ছি বাংলাদেশের প্রত্যেক জেলায় উৎসব হোক। কারণ এটি আমাদের জন্য বিরাট চ্যালেঞ্জের ব্যাপার ছিল। বিশ্বের সব থেকে খরস্রোতা নদী আমাজন, তারপর হচ্ছে পদ্মা। আমরা এখানে সেতু করতে পারি এটি অনেকেরই ধারণা ছিল না।

‘এটি দ্বিতল সেতু—নিচ দিয়ে ট্রেন যাবে, উপর দিয়ে গাড়ি যাবে। এটি একটা কঠিন কাজ। পৃথিবীতে এ ধরনের কাজ বোধ হয় এটাই প্রথম। এখানে যেসব মেশিনারিজ ব্যবহার করা হয়, এটি বোধ হয় আর কোথাও হয়নি। এর যে বাধা ছিল সেটিও আপনারা জানেন, যোগ করেন তিনি।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, আমরা এখানে দুর্নীতি করতে বসিনি। নিজেদের ভাগ্য গড়তে বসিনি। দেশের মানুষের ভাগ্য গড়তে এসেছি, দেশের উন্নয়ন করতে এসেছি।

দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেই সময় দেশবাসীর কাছ থেকে অভূতপূর্ব সাড়া যদি আমি না পেতাম এটি আমি করতে পারতাম না। আগামী ২৫ তারিখ এর উদ্বোধন হবে। আমি মনে করি, দক্ষিণ অঞ্চলের মানুষের আর কোনো কষ্ট থাকবে না। শিল্পায়ন হবে, বিদ্যুতের ব্যবস্থা ইতোমধ্যে আমি করেছি। রাস্তা-ঘাট, পুল ব্রিজ সবই আমি করে দিচ্ছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতার মতো সেই নেতৃত্ব তো আর গড়ে উঠবে না আর এটি কেউ পারবেও না—সুতরাং আমি চেষ্টা করছি একেবারে পল্লী অঞ্চলে তৃণমূলে পড়ে থাকা মানুষগুলো, তাদের ভাগ্যটা কীভাবে পরিবর্তন করা যায়। উন্নয়নের যত কর্মসূচি আমরা নিয়েছি, সব আমরা গ্রামের মানুষকে লক্ষ রেখেই করেছি। যেন আমাদের উন্নয়নটা গ্রাম থেকে উঠে আসে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here