নন্দিত বিজ্ঞাপন ও চলচ্চিত্র নির্মাতা অমিতাভ রেজা চৌধুরী বলেছেন, ‘একজন ফিল্মমেকার কখনো সত্যকে ধরতে পারে না। কিন্তু সত্যের অনুসন্ধান করতে পারেন। আর এভাবেই সত্যের অনুসন্ধান করতে করতেই আমার চলচ্চিত্রে আসা। এখন মনে হয়, আমার সবচেয়ে বড় শিক্ষক নতুন প্রজন্ম। তাদেরকে একটি কথাই বলতে চাই, আপনার ঘরে, আপনার পাশেই একটি গল্প আছে।’
স্যোশাল মিডিয়ায় বহুজাতিক স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ভিভোর একটি ক্যাম্পেইনে কথাগুলো বলেন অমিতাভ রেজা চৌধুরী। সেখানে এক্স৮০ ফাইভজি মডেলের একটি স্মার্টফোন নিয়েও কথা বলেন তিনি।
প্রযুক্তি ব্যবহার করে কনটেন্ট নির্মাণ এখন অনেক সহজ হয়ে গিয়েছে বলে মনে করেন অমিতাভ রেজা। স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের ক্ষেত্রে তরুণ নির্মাতারা এখন স্মার্টফোন ব্যবহার করছেন। তা উল্লেখ করে অমিতাভ রেজা বলেন, ‘আমার কাছে ফোন এখন শুধু অ্যাসেনশিয়াল মিনস অব হিউম্যান কমিউনিকেশন না। ফোনের মাধ্যমে আমি আমার গল্প বলি। ফোনের মাধ্যমে আমার চোখ তৈরি হয়। আর এই চোখের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে লেন্স। আমার কাছে এজন্যই রোমাঞ্চকর অংশ হচ্ছে কার্ল জেইস আর ভিভোর কোলাবোরেশন। কার্ল জেইস ও ভিভো কোলাবোরেট করে যেই প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে, যে ফোন আমাদের হাতে দিয়েছে, সেই ফোনে আপনি ইচ্ছা করলেই ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ডের গল্প, শর্ট ফিল্মস বানাতে পারেন।’
বিশ্বের সামনে নিজের অস্তিত্ব জানান দিতে একটি ডিভাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তা স্মরণ করে এই পরিচালক বলেন, ‘আপনি আপনার গল্প নিয়ে পৃথিবীর যেকোনো ফেস্টিভ্যালে হাজির হতে পারেন। এর চেয়ে শক্তিশালী আর কি ঘটনা ঘটতে পারে? আপনি একটি ডিভাইসের মাধ্যমে সারা বিশ্বের সামনে আপনার অস্তিত্ব হাজির করছেন। এভাবে প্রযুক্তির ব্যবহার করে নতুন প্রজন্ম গল্প বলবে এ দেশের মানুষের, মাটির।’
