দর্শকপ্রিয় অভিনেতা তারিক আনাম খান। অভিনয় করছেন ৫ দশক ধরে। এখনও অভিনয় জগতে তার সরব পদচারণা। ওয়েব ফিল্ম, চলচ্চিত্র, টেলিভিশন নাটক, সব মাধ্যমেই সমানতালে অভিনয় করছেন এই গুণী অভিনেতা।
সম্প্রতি এক জাতীয় দৈনিকের সঙ্গে নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন তারিক আনাম খান। সাক্ষাৎকারটি তুলে ধরা হলো:
প্রশ্ন: নাটকের দল নাট্যকেন্দ্রর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা আপনি। আপনার হাত ধরে বেশ কয়েকজন জনপ্রিয় অভিনেতা উঠে এসেছেন। এ বিষয়টিকে কীভাবে দেখেন?
তারিক আনাম খান: খুব ইতিবাচকভাবে দেখি। যারা উঠে এসেছেন, তাদের মধ্যে সততা ছিল, চেষ্টা ছিল এবং ভালো কিছু করার সুতীব্র ইচ্ছে শক্তি ছিল বলেই এত দূর আসতে পেরেছেন। আমার দিক থেকে বলব,আমি একটি দল করেছি, সেই নাটকের দলটি আমার প্রতি বিশ্বাস রেখেছে। কাজ করতে করতে তাদের সঙ্গে শিল্প ভাবনা বিনিময় করেছি। তারা সবাই মেধাবী নি:সন্দেহে । যখন মোশাররফ করিম বলেন আমি তার শিক্ষক, আমার ভালো লাগে। জাহিদ হাসানও এ কথা বলেন। আরও অনেকেই বলেন। এটা আমার জন্য অনেক সম্মানের।
প্রশ্ন: সবশেষ মৃধা বনাম মৃধা সিনেমায় অভিনয় করে প্রশংসিত হয়েছেন। এই সিনেমাটি এত প্রশংসা অর্জনের কারণ কী বলে মনে করছেন?
তারিক আনাম খান: একটা সময়ে পারিবারিক গল্পের সিনেমা নির্মাণ হতো। সেটা কমে গেছে। নাটকেও পরিবারের গল্প থাকত। সেই ধারাবাহিকতা কমে গেছে। কিন্ত নতুন করে পারিবারিক গল্পের সিনেমা নির্মিত হচ্ছে। মৃধা বনাম মৃধা বাবা ও ছেলের গল্পের সিনেমা, নিটোল ইমোশনের সিনেমা। বাবার চরিত্রে আমি অভিনয় করেছি। মৃধা বনাম মৃধা সিনেমা দেখে দর্শকরা কেঁদেছেন। আমার নিজের চোখও ভিজে গেছে। আমাদের দেশের দর্শকরা সিনেমাটিকে বেশ ভালো ভাবে নিয়েছেন। এটাই পরিচালক ও শিল্পীদের বড় প্রাপ্তি।
প্রশ্ন: আপনার অভিনয় জীবনের বড় প্রাপ্তি কী?
তারিক আনাম খান: এক কথায় বলব, মানুষের ভালোবাসা। শিল্পী জীবন সাধনার জীবন, ধৈর্যর জীবন। এখানে বছরের পর বছর লেগে থাকতে হয়। অভিনয় করে বহু মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি। এটাই বা কম কী? কজন পায় এত মানুষের ভালোবাসা? মানুষের ভালোবাসা বড় প্রাপ্তি। যা পেয়েছি তাতে খুশি, বিশেষ কোনো চাওয়া নেই। শিল্পী জীবনে যা পেয়েছি, অনেক খুশি।
