নিপুণকে প্রশংসায় ভাসালেন নায়ক মুন্না

শিল্পী সমিতির নির্বাচন ঘিরে দেশব্যাপী আলোচিত হয়েছেন চিত্রনায়িকা নিপুণ। প্রবাসীরাও এফডিসির নির্বাচনে কোন শিল্পী জয়ী হচ্ছেন, এ খবর জানতে আগ্রহী ছিলেন। এই নির্বাচন ঘিরে একে অন্যের প্রতিদ্বন্দ্বীতায় ‘টক অব দ্য কান্ট্রি’ ছিলেন নিপুণ।

‘সাধারণ সম্পাদক’ পদটি নিয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত জানতে অপেক্ষা করতে হবে আরও কিছুদিন। তবে এই পদ নিয়ে নিপুণের লড়াকু মনোভাবের তারিফ করছেন অনেকে। নিরঞ্জন বিশ্বাসের পরিচালনায় ‘ভাগ্য’ নামে এ ছবির শুটিং চলছে। এতে নিপুণের বিপরীতে অভিনয় করছেন মাহবুবুর রশিদ মুন্না।

শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর আফতাব নগরের কাশবনে এ ছবির শুটিং সেটে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা হয় মুন্নার।

তিনি জানান, পেশায় তিনি একজন মেরিন ইঞ্জিনিয়ার (সামুদ্রিক প্রকৌশলী)। ১৭ বছর ধরে তিনি তার পেশায় কর্মরত। সিনেমাকে ভালোবাসেন। তাই আবেগ ও ভালোবাসার জায়গা থেকে সিনেমা করছেন।

মুন্না অভিনীত দ্বিতীয় ছবি;  ‘ভাগ্য’। তিনি জানান, ইতোমধ্যে ছবির ৯০ শতাংশ শুটিং শেষ। এর আগে মুন্না ‘ধূসর কুয়াশা’ নামে একটি ছবি করেন, সেখানেও নায়িকা ছিলেন নিপুণ। উত্তম আকাশের পরিচালনায় ওই ছবিটি ২০১৮ সালে মুক্তি পায়।

মুন্না আরও বলেন, দেশ ও দেশের বাইরে ১৭ বছর ধরে মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে চাকরী করেছি। এখনও কর্মরত। ছুটির দিনগুলোতে শুটিং করি। ইঞ্জিনিয়ারিং আমার পেশা। আমি আমার আসল পেশায় ভীষণ আন্তরিক। কিন্তু সিনেমা বা অভিনয় হচ্ছে আমার মনের খোরাক। মনের খোরাক ও আবেগ মেটানোর জন্য সিনেমা করছি। এমনও হয়েছে জাহাজ থেকে ডিউটি শেষে শুটিংয়ে এসেছি।

দ্বিতীয় ছবি ছবি ‘ভাগ্য’ প্রসঙ্গে মুন্না বলেন, গত বছর ছবির শুটিং আরম্ভ করি। কিন্তু নিপুণ নির্বাচনে ব্যস্ত থাকায় তার অংশের শুটিং শেষ করতে পারেনি। এখন তার অংশের কাজ শেষ। নিপুণের সঙ্গে যখনই কথা হয় সবসময় সে সিনেমা নিয়ে ভাবে। সে খুবই দায়িত্বশীল একজন শিল্পী। ভাগ্য ছবির জন্য সেসময় কীভাবে ভালো করা যায়, গানগুলো সুন্দর হয় এসব চিন্তা করেছে।

অজানাকে জানা ও দেশপ্রেমের গল্প নিয়ে নির্মিত হচ্ছে ‘ভাগ্য’। এ বছরই মুক্তি দেয়ার কথা জানিয়েছে প্রযোজনা সংস্থা হালিমা কথাচিত্র।

মুন্না বলেন, আমার বাবা শিক্ষক ছিলেন। গল্প লিখতেন। তার গল্পে ছবি হয়েছিল। সেই সুবাদে শৈশবে এফডিসি যাই। প্রয়াত অভিনেতা নাসির খান আংকেলের সঙ্গে শুটিংয়ে একদিন ভাত খেয়েছিলাম। উনি বলেছিলেন, এফডিসির ভাত যে খায় সে আর এফডিসি ছাড়তে পারে না। তার কথাই সত্যি হয়েছে।

প্রথম সিনেমার অভিজ্ঞতা জানিয়ে মুন্না বলেন, ‘ধূসর কুয়াসা’য় প্রথম তিনদিন ব্লাকে টিকেট বিক্রি হয়েছিল। প্রদর্শক সমিতির মিয়াঁ আলাউদ্দিন আংকেল আমার সাধুবাদ জানিয়েছিলেন। ছোটবেলা আমি টিকেট কেটে সিনেমা দেখতাম, এখন আমার ছবি মানুষ টিকেট কেটে দেখেছে এটা সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে।

চিত্রনায়িকা নিপুণ বলেন, মুন্না ভাই ইঞ্জিনিয়ার কিছুদিন আগে জেনেছি। উনি সিনেমা ভালোবাসেন বলেই এসেছেন। তার সঙ্গে পূর্বে কাজের অভিজ্ঞতা ভালো তাই আবারও কাজ করছি। তার মতো মানুষ আরও যারা আছেন তাদেরও বলবো আপনারা সিনেমাতে আসুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *