চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে একের পর এক বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখে পড়ছেন সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চন। এমনকি সাধারণ মানুষের সমালোচনার সম্মুখিন হচ্ছেন তিনি। নিপুণ ও জায়েদ— উভয়কে একই পদে শপথ পড়ানোয় তার বিবেচনাবোধ নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন কেউ কেউ।
তবে সাধারণের কথা নিয়ে মাথা ঘামান না তিনি। বরং জানালেন, নিয়ম মেনেই সব করছেন। গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে কাঞ্চন বলেন, ‘আমি শুনেছি, অনেকে আমাকে নিয়ে এটা-সেটা বলছেন। দেখুন এসব অমূলক। আমি নিয়ম মেনেই সব করছি। কেউ না জেনে যদি আমার দিকে অভিযোগের আঙুল তোলেন, সেটা একদম অনুচিত। আমি জানি, আমাকে কী করতে হবে। গঠনতন্ত্রের বাইরে কোনো কাজ করিনি। সবসময় ন্যায়ের পথে ছিলাম। থাকব সবসময়।’
কাঞ্চন বলেন, ‘সমিতির গঠনতন্ত্র মোতাবেক সাইমন ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করবেন। আমার সিদ্ধান্তে তাকে ওই পদে বসানো হয়নি। জায়েদ-নিপুণের বিষয়ে যতদিন না পর্যন্ত আদালত থেকে রায় আসে ততদিন তিনি এই দায়িত্ব পালন করবেন।’
এর আগে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (এফডিসি)-তে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জায়েদ খানকে শপথবাক্য পাঠ করানো প্রসঙ্গে কথা বলেন কাঞ্চন। তিনি জানান, জায়েদ তাকে কোর্টের রায়ের জাল কাগজপত্র দেখিয়ে শপথ নিয়েছেন।
কাঞ্চন বলেন, ‘গত ৯ ফেব্রুয়ারির অন্য রায়ের কোর্টের একটি কাগজ দেখিয়ে শপথ নেন জায়েদ খান। নতুন কোনো কাগজ দেখাতে পারেননি৷ তড়িঘড়ি করে শুক্রবার শপথ নিয়েছেন। তিনি শিল্পী সমিতির সঙ্গে, সভাপতির সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। একই সঙ্গে মিডিয়ার সঙ্গেও ছলনা করেছেন। তার শপথ গ্রহণ আমি অবৈধ ঘোষণা করলাম।’
