সাবরিনা পড়শী। এ প্রজন্মের একজন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী। গান নিয়েই তার যত ব্যস্ততা। সম্প্রতি ‘সুলতান এন্টারটেইনমেন্ট’ ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ হয়েছে তার নতুন গান ‘চলো পাখি হয়ে’।
সাম্প্রতিক কাজ ও অন্যান্য বিষয়ে জাতীয় দৈনিক সমকালের সঙ্গে কথা বলেছেন পড়শী। সাক্ষাৎকারটু তুলে ধরা হলো-
প্রশ্ন: ‘চলো পাখি হয়ে’ গানে শ্রোতা-ভক্তদের কেমন সাড়া পাচ্ছেন?
পড়শী: ভীষণ ভালো। দীর্ঘ বিরতির পর আমার নতুন গান প্রকাশ হয়েছে। গানটিতে এত সাড়া পাব, ভাবিনি। ফোনে অনেকেই প্রশংসা করছেন। ‘হৃদ মাঝারে’ নাটকের এই গানে আমার সঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন আভরাল সাহির।
প্রশ্ন: সম্প্রতি ‘ইয়াং স্টার’ রিয়েলিটি শোর বিচারকের আসনে বসেছিলেন। প্রতিযোগীদের কতটা সম্ভাবনাময় বলে মনে হয়েছে?
পড়শী: প্রতিযোগীদের অনেকেই সম্ভাবনাময়। ট্যালেন্টকে তারা কতটা কাজে লাগাতে বা চর্চা করতে পারে, এটাই বড় বিষয়। এক যুগের বেশি সময়ে আমি যে পর্যায়ে আসতে পেরেছি, তাদের অনেকের হয়তো প্রতিষ্ঠার জন্য এতটা সময় লাগবে না। এমন কয়েকজন শিল্পী খুঁজে বের করাই ছিল বড় আনন্দের।
প্রশ্ন: এর মধ্যে নতুন কোনো গান রেকর্ড করেছেন?
পড়শী: রিয়েলিটি শো ‘ইয়াং স্টার’ নিয়ে দীর্ঘদিন ব্যস্ত সময় কেটেছে। যে জন্য চাইলেও নতুন গান রেকর্ড করার সুযোগ হয়ে ওঠেনি। কিছু গানের কথা, সুর ও সংগীতায়োজন করা হয়েছে; কিন্তু করোনার কারণে গানের ভিডিও হচ্ছিল না। যে জন্য নতুন গান প্রকাশ করতে পারিনি। আসছে ঈদে নিজের একক গান প্রকাশের কথা ভাবছি। গান গাওয়ার পাশাপাশি এর কথা লিখেছি। সুরও আমার। এটি প্রকাশ হবে নিজের ইউটিউব চ্যানেলে।
প্রশ্ন: অভিনয় নিয়ে নতুন কোনো ভাবনা আছে?
পড়শী: আমি গানের মানুষ। গান নিয়ে থাকতে পছন্দ করি। আর অভিনয় আমার পছন্দের জায়গা। সেই জায়গা থেকে অভিনয় ভালো লাগে। নাটক ও সিনেমার বিষয়েও নিশ্চিত করে বলতে পারব না, কবে আমাকে দেখা যাবে। তবে অভিনয়ের ইচ্ছা এখনও আছে। ভালো কাজের প্রস্তাব পেলে অবশ্যই ক্যামেরার সামনে দাঁড়াব।
প্রশ্ন: মীনা কার্টুনের শীর্ষ সংগীত আপনার কণ্ঠে। বিষয়টি কেমন উপভোগ করেন?
পড়শী: গানটি গাইতে পেরে আমার ভেতর দারুণ অনুভূতি কাজ করছে। কার্টুনটি দেখে দেখে বড় হয়েছি। ইউনিসেফ থেকে যখন আমার কাছে এ কাজের প্রস্তাব আসে তখন অন্যরকম ভালো লাগা ছুঁয়েছিল। এখন এই গানের সুবাদে বড়দের চেয়ে শিশুরা আমার নাম বেশি জানে। শিশুরা এখন আমাকে ডাকে মিনা কার্টুন আপু।
