এইচএসসিতে ৫ প্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল

student n

ঢাকা- এবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এক হাজার ৯৩৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সবাই পাস করেছে। অপরদিকে ৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করতে পারেনি।

২০২০ সালে করোনার কারণে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা হয়নি। বিশেষ ব্যবস্থায় ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছিল। সেই ফলে শতভাগ পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৯ হাজার ৬৩টি। কোন শূন্যপাস শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছিল না। সেই তুলনায় ২০২১ সালে শতভাগ পাস শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কমেছে ৭ হাজার ১২৯টি।

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের পরিসংখ্যান থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি রোববার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ফল প্রকাশ করেন। উচ্চ মাধ্যমিকে ১০ বোর্ডে গড় পাসের হার ৯৫ দশমিক ২৬ শতাংশ।

এবারের শতভাগ ফেল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সবগুলোই সাধারণ শিক্ষাবোর্ডের। মাদরাসা ও কারিগরি বোর্ডে শূন্যপাস শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নেই। শূন্যপাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে চট্টগ্রাম বোর্ডে দু’টি, দিনাজপুর বোর্ডে দু’টি ও ময়মনসিংহ বোর্ডে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে।

এবার মোট ৯ হাজার ১১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীরা এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা দিয়েছিলেন।

এবছর শতভাগ পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে মাদ্রাসা বোর্ড। দেশের ১ হাজার ৩টি মাদ্রাসার শতভাগ শিক্ষার্থী এবার আলিম পরীক্ষায় পাস করেছেন।

এ ছাড়া সাধারণ নয় শিক্ষা বোর্ডের ৭৩৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছেন, আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১৯৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা শতভাগ পাস করেছেন।

এ বছর নয়টি সাধারণ শিক্ষাবোর্ড, মাদ্রসা ও কারিগরি বোর্ড মিলে গড় পাশের হার ৯৫ দশমিক ২৬ শতাংশ।

সাধারণত প্রতি বছর এপ্রিলে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হলেও করোনা মহামারির কারণে এই পাবলিক পরীক্ষা ২০২১ সালের ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে নেয়ার ঘোষণা দেয় সরকার। পরীক্ষা ২ ডিসেম্বর শুরু হয়ে শেষ হয় ৩০ ডিসেম্বর।

এবারের এইচএসসি পরীক্ষা অন্যান্য বছরের মতো হয়নি; পরীক্ষা হয় শুধু নৈর্বাচনিক বিষয়ে। আর আবশ্যিক বিষয়ে আগের পাবলিক পরীক্ষার সাবজেক্ট ম্যাপিং করে মূল্যায়নের মাধ্যমে নম্বর দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বাদ দেয়া হয় চতুর্থ বিষয়ের পরীক্ষাও।

এবার পরীক্ষায় পরীক্ষার্থী ছিল ১৪ লাখ ৩ হাজার ২৮৮ জন। এর মধ্যে অংশগ্রহণ করে ১৩ লাখ ৭১ হাজার ৬৮১জন। আর উত্তীর্ণ হয় ১৩ লাখ ৬ হাজার ৭১৮ জন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *