শপথ অনুষ্ঠানে সবাই থাকলে খুশি হতাম: মিশা সওদাগর

নানা নাটকীয়তার পর অবশেষে দায়িত্ব নিলেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যরা। রোববার (৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় শপথগ্রহণের মধ্য দিয়ে তারা সংগঠনের দায়িত্ব বুঝে নেন। আনুষ্ঠানিকভাবে সমিতির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে চেয়ারেও বসেছেন ইলিয়াস কাঞ্চন ও নিপুণ।

গত ২৮ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে মিশা-জায়েদ প্যানেলের কয়েকজনও জিতেছেন। কিন্তু তাদের কেউ শপথ নেননি। এই তালিকায় আছেন ডিপজল, রুবেল ও মৌসুমীর মতো তারকারা।

যদিও মিশা সওদাগর উপস্থিত হয়ে প্রাক্তন সভাপতি হিসেবে শপথ পাঠ করিয়েছেন ইলিয়াস কাঞ্চনকে। শুধু তাই নয়, মিশা সওদাগর সবাইকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।

পরে মিশা সওদাগর বলেন, ‘আমি জয়ীদের অভিনন্দন জানাই। যাঁরা জয়ী হতে পারেননি তাঁদের প্রতিও আমার শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। আমি বরাবরই বলে থাকি, শিল্পী সমিতির নির্বাচন একটি মালাবদলের পালা। শিল্পীরা যাঁকে রায় দেবেন, তাঁকেই মালা দিতে হবে। সবার কাছে আমি একটি অনুরোধ করব, আমরা যেন পেছনের দিকে না তাকাই। পেছনে কী ঘটে সেদিকে যেন না তাকাই। আগামীতে কীভাবে শিল্পী সমিতির সুন্দরভাবে গড়ে তুলব, একটা শিল্প গড়ে তুলব, সেই ব্যবস্থা করি।’

মিশা সওদাগর আরও বলেন, ‘আমাদের সবার প্রাণপ্রিয় ইলিয়াস কাঞ্চন সাহেব, তাঁকে অনুরোধ করব যে আপনি সবাইকে নিয়ে, টোটাল ২১ জনকে নিয়ে এমন কাজ করবেন, এমন দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন, যেটা পূর্বে হয়নি। সবার মধ্যে যেন কোনও ব্যারিয়ার না থাকে। আমি বিশ্বাস করি, আপনি আলোকিত মানুষ। আপনার আলোয় আলোকিত হবে টোটাল ইন্ডাস্ট্রি। সেই জায়গা থেকে আপনার প্রতি আমার অনড় বিশ্বাস, আপনি সেটা পারবেন। আজকে যদি সবাই থাকত, আমি খুশি হতাম। সবাই যাতে থাকে, আপনি পরবর্তী স্টেপ নিয়ে কার্যকরী ভূমিকা রাখবেন।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চিত্রনায়ক আলমগীর। মিশা-জায়েদ প্যানেলের নির্বাচিতরা কেউ শপথ নেননি। নির্বাচিত ২১ জনের মধ্যে ১১ জন শপথ নিয়েছেন।

এদিকে জায়েদ খানের প্যানেলের কেউ উপস্থিত না হওয়ায় এফডিসিতে গুঞ্জন ভেসে বেড়াচ্ছে। কেউ কেউ বলছেন, মামলা করবেন জায়েদ। অবশ্য এই নায়কের দাবিও সেটা। অন্য পক্ষ বলছে, জায়েদ নতুন করে শপথের আয়োজন করতে যাচ্ছেন। যার ফলে শিল্পী সমিতির এই শপথ এখন মুখরোচক সূচিতে পরিণত হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *