শিল্পী সমিতির ভোট বাতিল চেয়ে পুনরায় সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচন চান সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হয়ে জায়েদ খানের কাছে হেরে যাওয়া নিপুণ।
রোববার (৩০ জানুয়ারি) প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে ইলিয়াস কাঞ্চন ও নিপুণ প্যানেলের সদস্যারা নির্বাচন কেন্দ্র করে বেশ কিছু অভিযোগ তুলে ধরেন।
এ সময় নির্বাচন কমিশনার পীরজাদা হারুনে বিরুদ্ধে অভিযোগ করে নিপুণ বলেন, আমি আপনার কাছে অভিযোগ করেছিলাম টাকা লেনদেন হচ্ছে আপনি আমার কথা শুনেননি। নির্বাচনের সময় আপনি আমাদের একটি ব্যারিকেডের মধ্যে দাঁড় করিয়ে রেখেছিলেন। সেখানে শুধু আমরাই ছিলাম। একবারের জন্যও জায়েদ খান আসেননি। সকল নিয়ম কি কাঞ্চন নিপুণ পরিষদের জন্যই ছিল?
নিপুণ বলেন, আমাদের সংগঠনের নিয়ম টাকা আদান প্রদান করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আপনারা কি ব্যবস্থা নিয়েছেন? পীরজাদা হারুন, এফডিসির এমডি, জায়েদ খান একটা গ্যাং। এই চক্র আমাদের বিরুদ্ধে কাজ করেছেন। এগুলো তদন্ত চাই। তাদের কারণে আমার জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে বনানী থানায় জিডি করতে হয়েছে।
পীরজাদা হারুনের কাছে প্রশ্ন রেখে নিপুণ জানতে চান, কেন আপনি শুধু এক পক্ষকে টেনেছেন। আপনি কাঞ্চন-নিপুণ পরিষদকে চাপিয়ে গেছেন। কেন আপনি আমাদের অন্য সংগঠনকে ঢুকতে দেননি।
সংবাদ সম্মেলনে নিপুণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদে আবার নির্বাচন দাবি করেন। এ সময় তাকে সমর্থন দেন নবনির্বাচিত সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চন।
ভোটের লড়াইয়ে জায়েদ খানের কাছে ১৩ ভোটে হেরেছেন নিপুণ। জায়েদ খান পেয়েছেন ১৭৬ ভোট; নিপুণ পেয়েছেন ১৬৩ ভোট। নিপুণের ১৪ ও জায়েদের ১২টি ভোট বাতিল হয়। এ ভোটগুলো যাচাইয়ের জন্য আপিল করেন নিপুণ। আপিলেও জায়েদ খানকে জয়ী ঘোষণা করা হয়।
