প্রয়োজনে আমাকে বয়কট করুন, তাও একটু মুক্তি দিন: শবনম ফারিয়া

বিনোদন ডেস্ক- ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া প্রায়ই নানান কারণে খবরের শিরোনাম হয়ে থাকেন। কাজের পাশাপাশি তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও হয় নানান চর্চা। সামজিক মাধ্যমে পোস্ট করে অনেক সময় এসব চর্চাকে উস্কে দেন অভিনেত্রী নিজেই।

সম্প্রতিক সময়ে সাবেক স্বামী অপুকে নিয়ে খবরে আসেন ‘দেবী’ অভিনেত্রী। এরপর তিনি নতুন প্রেমে পড়েছেন বলে নানা খবর প্রকাশিত হয়। সেসব খবর যে ফারিয়া সমর্থন করতে পারেননি তা সোমবার (১০ জানুয়ারি) করা তার একটি ফেসবুক পোস্টেই স্পষ্ট।

এদিন নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এসব মনগড়া সংবাদ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ফারিয়া। তিনি লেখেন, ‘আমাকে নিয়ে কারণে-অকারণে অনেক সংবাদ হয়! কিছু সংবাদ দেখে হাসি, কিছু সংবাদ দেখে রাগ হয়! কিন্তু মাঝে মাঝে কিছু সংবাদ দেখে কি বলব খুঁজে পাই না! অবাক হব, মন খারাপ করব, নাকি ক্ষোভ ঝাড়ব বুঝি না!’

ফারিয়ার ভাষায়, ‘আর আমরাও নিউজ না পড়ে শিরোনাম দেখে যেসব কমেন্ট করি, আমাদের কি বোধ শক্তি বলতে কিছুই নেই? আমরা কি এতোই অবুঝ? অনেকে বলে, আপু আপনাকে সাংবাদিকরা অনেক ভালোবাসে, তাই এতো নিউজ করে। ভাই, বিশ্বাস করেন, আমার এতো ভালোবাসার দরকার নাই। আমি সত্যিই টায়ার্ড! এবার একটু শান্তিতে থাকতে দেন আমাকে!’

ফারিয়া কথা, “আপনাদের এসব মনগড়া সংবাদের পর অপ্রয়োজনীয় এতো আলোচনা-সমালোচনা আর ভালো লাগে না! এবার একটু দয়া করেন, আপনাদের ‘সংবাদ আতংক’ থেকে রেহাই দেন। প্রয়োজনে আমাকে বয়কট করেন! তাও একটু মুক্তি দেন। আমি এবং আমার পরিবার টায়ার্ড! প্লিজ…।”

দীর্ঘ ৩ বছরের পরিচয়ের পর ২০১৯ সালের শুরুর দিকে বেশ জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে হারুন অর রশীদ অপুর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন ফারিয়া। দুই বছর না ঘুরতেই তাদের দাম্পত্য জীবনে বিচ্ছেদ ঘটে। গত বছরের ২৭ নভেম্বর বিচ্ছেদ পত্রে স্বাক্ষর করেন তারা। তখন ফারিয়া বলেছিলেন—‘বনিবনা না হওয়ায় পারস্পরিক সিদ্ধান্তে ডিভোর্স করেছি।’

বিয়েবিচ্ছেদের এক বছর পর গত ১৫ ডিসেম্বর রাতে নিজের ফেসবুকে শবনম ফারিয়া দাবি করেন—তিনি স্বামীর হাতে নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন। এমনকি নির্যাতনে তার হাত পর্যন্ত ভেঙেছিল। এমন অভিযোগ করার পর রীতিমতো হতবাক হন তার ভক্তরা। কিন্তু এই অভিযোগ অস্বীকার করেন ফারিয়ার প্রাক্তন স্বামী হারুন অর রশীদ অপু। বরং ফারিয়ার মামা শ্বশুর পাল্টা অভিযোগ করেন তার বিরুদ্ধে। কাদা ছুড়াছুড়ির পর সর্বশেষ পারিবারিকভাবে বিষয়টি সমাধান করেন ফারিয়া-অপু।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *