এসআই আকবরকে ধ’রিয়ে দিলে ১০ লাখ টাকা পুরস্কার

নজর২৪, সিলেট- সিলেটের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নি’র্যা’তনে রায়হান আহমেদের মৃ’ত্যুর ৬ দিন পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে গ্রে’ফতার করতে পারেনি আইনশৃ’ঙ্খলা বা’হিনী।

 

রায়হান হ’ত্যার ঘটনার অগ্র’ভাগে থাকা বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (বরখাস্ত) এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়ারও হদিস পাচ্ছে না পুলিশ। ঘটনার পর থেকে বর’খাস্ত ও প্র’ত্যাহার হওয়া দুই এএসআই ও চার কনস্টেবল পুলিশের পা’হারায় সিলেট পুলিশ লাইন্সে রয়েছেন।

 

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ঘটনার মূল র’হস্য উদ’ঘাটনের জন্য ইতোমধ্যে কাষ্টঘর এলাকার সুইপার কলোনির সুলাই লালসহ দুই জনকে জি’জ্ঞা’সাবাদ করেছে। আর মূল হো’তা এসআই আকবরসহ জড়িতদের দ্রুত গ্রে’ফতারের দা’বিতে উ’ত্তা’ল রয়েছে সিলেট।

 

এদিকে এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়াকে ধ’রিয়ে দিলে বা গ্রে’প্তার করতে পারলে ১০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘো’ষণা করেছেন এক প্রবাসী। সামাদ খান নামের ওই যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী গতকাল সোমবার দুপুরে এ ঘোষণা দেন।

 

সামাদ খানের বাড়ি গোলাপগঞ্জে। তার এ ঘোষণা ইউটিউব চ্যানেল ‘সিলেটি টিভি’ প্রচার করে। নিউজার্সিতে ইউটিউব চ্যানেলটিকে সামাদ খান বলেন, এসআই আকবর ভূঁইয়াকে আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে যদি কেউ ধ’রিয়ে দিতে পারেন বা পুলিশের কেউ যদি গ্রে’প্তার করতে পারেন তাকে দশ লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। সামাদ খান এ বিষয়ে তার সঙ্গে মেসেঞ্জার বা +১ (৮৬২) ৬০০-১৫৮৮ নম্বরে যোগাযোগ করতে বলেছেন।

 

এ প্রসঙ্গে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) আশরাফ উল্লাহ তাহের বলেন, প্রবাসীর ওই ঘো’ষণা তার নিজস্ব। ব্যক্তিগতভাবে তিনি পুরস্কারের কথা বলেছেন। আমরা এ নিয়ে কিছু বলব না। পুলিশ যা করণীয় করে যাচ্ছে।

 

১১ অক্টোবর নগরীর আখালিয়া নেহারিপাড়ার বাসিন্দা রায়হান আহমদকে বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে আ’টকে রেখে নি’র্যা’তন করে হ’ত্যা করা হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে প্রথমে রায়হান ছি’নতাই’কালে গ’ণ’পি’টু’নিতে নি’হত হন বলে দাবি করা হয়।

 

তবে নি’র্যাতন করে হ’ত্যার বিষয়টি প্রকাশ পেলে তো’লপাড় শুরু হয়। ওই ঘটনায় ১৩ অক্টোবর অ’জ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আ’সামি করে কোতোয়ালি থানায় হ’ত্যা মা’মলা করেন রায়হানের স্ত্রী। পরে এসআই আকবর, কনস্টেবল হারুনুর রশিদ, তৌহিদ মিয়া ও টিটু চন্দ্র দাসকে সা’ময়িক ব’রখাস্ত করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *