বিনোদন ডেস্ক- একের পর এক বিতর্কিত ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে অবশেষে তথ্য প্রতিমন্ত্রীর পদ হারিয়েছেন ডা. মুরাদ হাসান। সম্প্রতি বিভিন্ন টকশো ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ডা. মুরাদ হাসানের দেওয়া কিছু বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়।
সর্বশেষ রোববার রাতে চিত্রনায়িকার মাহিয়া মাহিকে অশ্লীল আক্রমণ ও মেরে ফেলার হুমকির ফোনালাপ ফাঁস হলে সেই সমালোচনার ঝড় আরও তীব্রতর হয়। এর আগে চিত্রনায়িকা মৌসুমীর শারীরিক গঠন ও ঢালিউডের জনপ্রিয় নায়ক শাকিব খানের অভিনয় নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন এই মুরাদ। তবে সেভাবে আলোচনায় আসেনি।
এমনকি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হিরো আলমকে নিয়েও কথা বলতে ছাড়েননি ডা. মুরাদ হাসান। তিনি নাকি এক অনুষ্ঠানে হিরো আলমকে তার সামনে গান গাওয়ার ধৃষ্টতা না দেখাতে ধমক দিয়েছিলেন। সম্প্রতি তার সেই বক্তব্য ভাইরাল হয়েছে।
অভিনেতা ও উপস্থাপক শাহরিয়ার নাজিম জয়কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মুরাদ হাসান বলেন, হিরো আলমেরও নিশ্চয় দর্শকশ্রোতা আছে। এ কারণেই হয়তো ওকে ইউটিউবে, বিভিন্ন গণমাধ্যমে দেখা যায়। হিরো আলম একদিন একটি অনুষ্ঠানে এসেছিল, আমি জায়গাটার নাম না-ই বললাম। সে আমার সামনে গান গাচ্ছিল। আমাকে ঠিকমতো চিনতে পারে নাই।
গান শেষে আমি বললাম, ‘তোমার কী কোনো লজ্জা শরম নাই? তুমি যে গান গাইতে পারো না… গান গাইতে হলে সুর, তাল, লয় লাগবে, কণ্ঠও লাগবে। তোমার চেহারা এবং কণ্ঠ এত সুন্দর (!) আমার সামনে গান গাওয়ার যে ধৃষ্টতা তুমি দেখাইলা… সেটা আমাদের সামনে না দেখাইয়া… যে নিম্নশ্রেণির মানুষরা তোমাকে দেখে…. ওদের সামনে যায়া গান গাইবা।’
