নজর২৪, ঢাকা- রাস্তায় নেমে গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নি সংযোগ করা ছাত্রদের কাজ নয় বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বুধবার (১ ডিসেম্বর) বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একটা মানুষ মারা গেলো, আর ১৫টা গাড়িতে আগুন দিলেন, এতে যারা আহত বা নিহত হলেন, ক্ষতিগ্রস্ত হলেন; সেই দায়িত্বটা কারা নেবে। তাহলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তো তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে। কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘রাস্তা পারাপারে সব সময় সতর্ক থাকতে হবে। পারাপারের জন্য যে জায়গাগুলো নির্দিষ্ট, সেখান থেকে পার হতে হবে। হঠাৎ করে দৌড় দেবেন, তা হবে না।’
তিনি বলেন, ‘চালকদের বলি, সতর্কতার সঙ্গে গাড়ি চালাতে হবে। ট্রেনিং নিয়ে গাড়ি চালাতে হবে। আমরাও ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ দিচ্ছি। সরকারি পরিবহন প্রশিক্ষিত চালকদের দিয়ে পরিচালনা করা হয়। বেসরকারি বাসের গাড়ি চালকদেরও ট্রেনিং দিতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ময়লার গাড়ির চাপায় একজন মারা যাওয়ার পর আবার কেন উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় বাস দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থী মারা গেলো, এর কারণ খুঁজে বের করতে হবে।’
তিনি বলেন, আমি ছাত্র-ছাত্রীদের বলব, দুর্ঘটনায় ছাত্র যে মারা গেছে- সেটা দুঃখজনক।
শেখ হাসিনা বলেন, দীর্ঘদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। এখন খুলে গেছে। এখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফিরতে হবে। আমরা ভ্যাকসিন দিচ্ছি। তবে নতুন করে আবারও ওয়েভ আসতে পারে। তখন আবারও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তাই এ সুযোগে সবাইকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফিরে গিয়ে শিক্ষাগ্রহণ করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, যারা দোষী অবশ্যই তাদের শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। তাদের খুঁজে বের করা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অনেক সতর্ক এ ব্যাপারে। সব জায়গায় ভিডিও ফুটেজ আছে, অপরাধ যে করবে তাকে ধরা ফেলা কঠিন হচ্ছে না। ভবিষ্যতে যারা গাড়ি ভাঙচুর করবে, আগুন দেবে তাদেরও খুঁজে বের করা হবে। তাদেরও শাস্তি দেওয়া হবে আর ওই গাড়িতে যদি কেউ মারা যায় বা আগুনে পোড়ে তার জন্যও কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে। আমাদের দেশে এখন যে উন্নয়ন আমরা করে যাচ্ছি, সেটা ধরে রাখতে হবে এবং বাংলাদেশের মানুষকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। আজকের শিশুরা সেভাবে নিজেদের গড়ে তুলবে আমি সেটাই প্রত্যাশা করি।
