টেনশনে সাড়ে তিন ঘণ্টার বেশি ঘুমাতে পারি না: অনন্ত

বিনোদন ডেস্ক- নতুন চলচ্চিত্রের শুটিং শুরু করেছেন চিত্রনায়ক অনন্ত জলিল। এই ছবিতে নিজের স্ত্রীর দেহরক্ষী হিসেবে কাজ করছেন অনন্ত জলিল। ছবিতে পরিপূর্ণ অবয়ব ফুটিয়ে তুলতে কঠোর পরিশ্রম করছেন নায়ক। জানালেন, মানুষ যেন ট্রল না করে সেদিকে খেয়াল রাখছেন। সম্প্রতি মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরে ‘নেত্রী দ্য লিডার’ চলচ্চিত্রের শুটিং শুরু হয়েছে। ছবিতে নেত্রী রূপে ধরা দেবেন চিত্রনায়িকা বর্ষা।

 

খোঁজ দ্য সার্চ খ্যাত এই নায়ক বলেন, একমাসে ধরে আমি সাড়ে তিন ঘণ্টার বেশি ঘুমাতে পারি নাই, শুধু এই ছবির জন্য। আমি শট দেব কী, সারাক্ষণ এসব নিয়েই কাজ করি।

 

এই চলচ্চিত্রের আয়োজন নিয়ে প্রায় মাথা খারাপ হয়ে গেছে অসম্ভবকে সম্ভব করা এই নায়কের। কারণ জিজ্ঞেস করতেই বললেন, ছবিতে অ্যাক্টিং করছি প্রোডিউস করছি এর পাশাপাশি এর কনসেপ্ট ও কস্টিউমের কাজও আমি করছি। সব ম্যানেজমেন্ট দেখাশোনা- মাথাটা কিভাবে ভালো থাকে বলেন।

 

আক্ষেপ থাকলেও অনন্ত জলিলের কথা শেষ পর্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে শেষ হয়। নিজের চরিত্র বিশ্লেষণ করতে গিয়ে বলেন, আসলে আমি তো সবসময় চ্যালেঞ্জ নিতেই ভালোবাসি। এটি চ্যালেঞ্জিং চরিত্র, আর এজন্য আমাকে খাটতে হচ্ছে প্রচুর। ঘুমানোর আগেও চরিত্রটি নিয়ে ভাবছি, কতটা সুনিপুণভাবে পর্দায় চরিত্রটির রূপদান করা যায় ভেতরে ভেতরে সেই তাগিদ অনুভব করছি।

 

অনন্ত বলেন, চলচ্চিত্রে নেত্রীর অফিস, কনফারেন্স রুম ডিজাইন দেখে মনে হবে এটা কোনও দেশের নেত্রীর অফিস ডিজাইন! অন্যান্য শিল্পীদের ড্রেস, লুক সবকিছু নিয়ে আমি কাজ করেছি। তুরস্কে শুটিং এবং সেখানকার সবার সঙ্গে যোগাযোগ আমি নিজে করছি। আমাদের গল্পে তাদের কাজে আগ্রহী করা। এমন কোনো কাজ নাই যে আমি এই সিনেমার জন্য করছি না।

 

তিনি বলেন, নেত্রীকে প্রোটেকশন দেয়া আমার কাজ। আমি বডিগার্ড।

 

এটা আমি রাতেও চিন্তা করি। ধরেন আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বডিগার্ড আছে, তাদের কী এক্টিভিটিস থাকে, তারা কীভাবে কাজ করে, আমি কী সেভাবে করতে পারতেছি কি না। এগুলো নিয়ে চিন্তা করি। তারা কীভাবে দাঁড়ায়। তাকে কোথাও যাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ করলে কীভাবে হাতটা দেখায়। এগুলো নিয়ে আমি খুব টেনশনে আছি, মানুষ যেন আবার ট্রল না করে যে এগুলো হচ্ছে না।

 

এটা সত্যি খুব চ্যালেঞ্জিং একটা ক্যারেক্টার। নেত্রীকে সব সময় প্রোটেকশন দেয়া, নেত্রীকে সব সময় রেসপেক্ট করা আমার দ্বারা হচ্ছে কি না, এগুলো ভাবছি আর করে যাচ্ছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *