নজর২৪ ডেস্ক- রাজধানীর বনানীর রেইনট্রি হোটেলে শিক্ষার্থী ধ র্ষ ণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আপন জুয়েলার্সের কর্ণধার দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত আহমেদসহ পাঁচজনকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর ) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক বেগম কামরুন্নাহারের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
খালাসপ্রাপ্ত বাকিরা হলেন, নাঈম আশরাফ (পুলিশের কাছে এস এম হালিম নামে চিহ্নিত), সাফাত আহমেদের বন্ধু সাদমান সাকিফ, দেহরক্ষী রহমত আলী ও গাড়িচালক বিল্লাল হোসেন।
আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, বনানীর রেইনট্রি হোটেলে দুই শিক্ষার্থী ধ র্ষ ণের অভিযোগে হওয়া মামলায় ধ র্ষ ণের কোনো ঘটনা ঘটেনি। সেখানে অভিযোগকারীরা স্বেচ্ছায় আসামিদের সঙ্গে ম দ্য পা ন করেন এবং ড্যান্সে অংশ নেন।
এরপর তারা আসামিদের সঙ্গে স্বেচ্ছায় শয্যাসঙ্গী হন। সেখানে তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হলেও জোর পূর্বক ধ র্ষ ণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।
রায়ের পর্যবেক্ষণে বিচারক বলেন, মামলার দুই ভিকটিম আগে থেকেই সে ক্সু য়া ল কাজে অভ্যস্ত। তারা স্বেচ্ছায় হোটেলে গিয়েছেন। সেখানে গিয়ে সুইমিং করেছেন। ঘটনার ৩৮ দিন পর তারা বললেন, ‘আমরা ধ র্ষ ণের শিকার হয়েছি’। অহেতুক তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রভাবিত হয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছেন। এতে আদালতের ৯৪ কার্যদিবস নষ্ট হয়েছে। এরপর থেকে পুলিশকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছি। এছাড়া এরপর থেকে ধ র্ষ ণের ৭২ ঘণ্টা পর যদি কেউ মামলা করতে যায় তা না নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি।
বিচারক রায় পড়ার সময় বলেন, ‘আপনারা বলছেন-এটি একটি আলোচিত মামলা, কিন্তু আমার কাছে মনে হচ্ছে না। আমার কাছে সব মামলাই আলোচিত ও গুরুত্বপূর্ণ। এই মামলাটির মেডিক্যাল রিপোর্টে কিছুই পাওয়া যায়নি এবং ডাক্তাররা কোনও প্রমাণ দিতে পারেনি।’
এদিকে রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিরা বলেন, আদালতের মাধ্যমে সত্যের জয় হয়েছে। রায় শুনে কাঠগড়ায় থাকা পাঁচ আসামি আলহামদুলিল্লাহ বলেন। এরপর তারা বিচারককে উদ্দেশ করে হাত তুলে বলেন, আসসালামু আলাইকুম।
