নজর২৪ ডেস্ক- প্রতারণার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় রিমান্ডে রয়েছেন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির এমডি মোহাম্মদ রাসেল এবং তার স্ত্রী (চেয়ারম্যান) শামীমা নাসরিন। তিন দিন রিমান্ডের শেষ দিন সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাসেল ও তার স্ত্রীকে মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদ করে গুলশান থানা পুলিশ।
জিজ্ঞাসাবাদে প্রতিষ্ঠানটির লেনদেনের বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য দিয়েছেন তারা। তবে গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণার বিষয়টি আবারও অস্বীকার করেন দুজনই। পুলিশের একটি দায়িত্বশীল সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
রিমান্ডের বিষয়ে পুলিশের গুলশান বিভাগের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, রিমান্ডে রাসেল ও তার স্ত্রীকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, গ্রাহক ও সেলারদের কাছে পাওনা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। তাদের কাছ থেকে আমরা অনেক তথ্য পেয়েছি। পাশাপাশি তথ্যগুলো যাচাই-বাছাইয়ের জন্য আমরা কিছু প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করছি।
রাসেল পুলিশকে জানান, তার পরামর্শ অনুযায়ী চেয়ারম্যান কাজ করতেন। চেয়ারম্যানের কোনো দায় নেই।
গুলশান থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘রাসেল প্রতিষ্ঠানের মালিক। মালিক হিসেবে তার দায় না নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। আমরা চেষ্টা করছি তিনি গ্রাহকদের কাছ থেকে কত টাকা নিয়েছেন, কত টাকা খরচ করেছেন এবং কত টাকা দেনা আছে, ব্যাংকে কত টাকা আছে ইত্যাদি বের করার। এই প্রক্রিয়ার মধ্যে তার কোনো প্রতারণা আছে কি না সেটিও জানার চেষ্টা চলছে। রিমান্ড শেষে রাসেলকে মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে নিম্ন আদালতে পাঠাবে পুলিশ।’
পুলিশের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, মঙ্গলবার রাসেল ও তার স্ত্রীকে ধানমন্ডি থানায় দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হতে পারে। ৩৬ লাখ টাকার পণ্য নিয়ে মূল্য পরিশোধ না করার অভিযোগে গত শনিবার ধানমণ্ডি থানায় রাসেলসহ ইভ্যালির ২০ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন একজন পণ্য সরবরাহকারী।
