নজর২৪ ডেস্ক- ২০১৬ সাল থেকে মদের প্রতি আসক্ত হলেও পরীমনি দাবি করেছেন, তিনি কখনো মদ খাননি। এমনকি তিনি তার আইনজীবীকে জানিয়েছেন, তার বাসায় কোনো মদ ছিলো না। অভিনেত্রীর দাবি, তিনি শখের বশে মদের খালি বোতল সংগ্রহ করতেন।
বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) সংশ্লিষ্ট সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এদিকে আজ প্রেস ব্রিফিংয়ে র্যাব জানায়, ভয়ংকর মাদক এলএসডি ও আইস সেবন করতেন পরীমনি। তাছাড়া মদে মাত্রাতিরিক্তি আসক্তি তার। নিজ বাসায় একটি মিনিবারও রয়েছে তার।
চলচ্চিত্র প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজ পরীমনির বাসায় এসব মাদক সরবরাহ করতেন। মিনিবার থাকায় তার বাসায় পার্টির আয়োজন করা হতো। সেই পার্টিতে বিভিন্ন প্রকার মাদক সরবরাহ করতেন রাজ।
জিজ্ঞাসাবাদে পরীমনিও জানিয়েছেন, ২০১৬ সাল থেকেই তিনি মদের প্রতি আসক্ত হয়ে গেছেন। এরপর অন্য মাদকও গ্রহণ করতেন। কিন্তু সন্ধ্যায় আদালতে আসার আগে আইনজীবীকে ভিন্ন কথা বলেন সময়ের আলোচিত এই অভিনেত্রী।
এদিকে চিত্রনায়িকা পরীমণির বাসা থেকে উদ্ধারকৃত মদের বোতলগুলো ছিল খালি, ভরা বোতল তার বাসা থেকে পাওয়া যায়নি, দাবি করেছেন পরীমণির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রেফাত সুরভী।
বনানী থানায় করার মাদকের মামলার শুনানি শেষে রাতে পরীমণির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রেফাত সুরভী আরও বলে, ‘তার (পরীমণির) বাসা থেকে যে সাড়ে ১৮ লিটার মদ উদ্ধার দেখানো হয়েছে, তা তার বাসায় ছিল না। তার বাসায় কয়েকটি খালি মদের বোতল ছিল। সেগুলো ডেকোরেশন পিস হিসেবে রাখা ছিল। এগুলো জব্দ তালিকায় দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, তার কাছে কোনো আইস এবং এলএসডি ছিল না। আমরা তার জামিন চাই।’
আইনজীবী আদালতকে বলেন, ‘এ মামলায় পরীমণিকে হয়রানির কারন পেছনের একটি দ্বন্দ্ব (নাসিরের বিরুদ্ধে মামলা)। তার মানসম্মান নষ্টের জন্যেই এ মামলা। স্বনামধন্য একজন নায়িকার মানসম্মান যাতে ক্ষুণ্ন না হয় সেজন্য রিমান্ড নামঞ্জুর করা প্রয়োজন। তাকে জামিন দেওয়া উচিত।’
ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশিদের আদালত শুনানি শেষে পরীমণির চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পাশাপাশি তার সহযোগী আশরাফুল ইসলাম দীপুরও চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রাত ৮টা ২৫ মিনিটে ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পরীমণি ও আশরাফুল ইসলাম দীপুকে হাজির করা হয়। পরে তাদের আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়।
