কোপার সেরা গোলরক্ষক আর্জেন্টিনার মার্টিনেজ

স্পোর্টস আপডেট ডেস্ক- আর্জেন্টিনার মূল গোলরক্ষক ফ্রাঙ্কো আরমানি করোনা আক্রান্ত হলে দলের প্রথম গোলরক্ষকের দায়িত্ব আসে এমিলিয়ানো মার্টিনেজে কাঁধে। দারুণ চ্যালেঞ্জ নিয়েছে উতরে গেছে তিনি। দলকে শিরোপা জেতানোর পেছনে তার অবদানই ছিল চোখে লাগার মতো। সেমি-ফাইনালে কলম্বিয়ার বিপক্ষে টাইব্রেকারে তিনটি সেভ ও ফাইনালে ব্রাজিলের গোলমুখে শট রুখে গিয়ে আসরের সেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার জিতেছেন তিনি।

 

কোপা আমেরিকায় ফাইনালের আগপর্যন্ত সর্বোচ্চ ১২ গোল করেছিল ব্রাজিল। নিজেদের শেষ ২৪ ম্যাচে তাদের গোলসংখ্যা ৬১টি। অর্থাৎ প্রতি ম্যাচে দুইয়ের বেশি গোল করাকে রীতিমতো অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছে সেলেসাওরা।

 

ব্রাজিলের এই আধিপত্য থামানোর পাশাপাশি পুরো আসরজুড়ে দুর্দান্ত গোলকিপিং করেছেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। যার সুবাদে তার হাতেই উঠেছে কোপা আমেরিকার সেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার গোল্ডেন গ্লাভস।

 

মারাকানায় শিরোপা নির্ধারণী ফাইনাল ম্যাচে একবারের জন্যও আর্জেন্টিনার জাল কাঁপাতে পারেননি নেইমার, রিচার্লিসন, গ্যাবিগোলরা। পুরো ৯০ মিনিট জাল অক্ষত রেখে নিজ দলের শিরোপা জেতানোর পথ সুগম করেছেন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ।

 

পুরো ম্যাচে অন্তত ১৩টি শট গোলের উদ্দেশ্যে করেছিল ব্রাজিল। যার মধ্যে দুইটি ছিল লক্ষ্য বরাবর। বিশেষ করে ম্যাচের ৮৭ মিনিটের সময় ডি-বক্সের ভেতরে বাম পাশ থেকে বুলেট গতির শট নিয়েছিলেন গ্যাব্রিয়েল বারবোসা তথা গ্যাবিগোল। দুর্দান্ত ক্ষিপ্রতায় সেই শট ঠেকান এমিলিয়ানো।

 

শুধু ফাইনাল ম্যাচেই নয়, পুরো আসরে গোলবারের নিচে বাজপাখির ক্ষিপ্রতা দেখিয়েছেন এমিলিয়ানো। শিরোপা জেতার পথে খেলা সাত ম্যাচে মাত্র ৩ গোল হজম করেছেন তিনি। সেমিফাইনাল ম্যাচে টাইব্রেকারে তিনটি পেনাল্টি শট ঠেকিয়ে দলকে পাইয়ে দিয়েছিলেন ফাইনালের টিকিট।

 

এমন দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সুবাদে যোগ্যতর প্রার্থী হিসেবেই এবারের আসরের সেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার জিতেছেন ২৮ বছর বয়সী এ গোলরক্ষক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *