স্পোর্টস আপডেট ডেস্ক- লাথি মেরে স্টাম্প ভাঙছেন, নিজ হাতে স্টাম্প উপড়ে ফেলছেন। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় তারকা সাকিব আল হাসানের এসব ঘটনার ছবি, ভিডিও দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ে সারা বিশ্বে। প্রতিটি টুইট, রি-টুইট, শেয়ার আর পোস্টে বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। প্রশ্নবিদ্ধ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে। এত কিছুর পর সাকিবকে ৩ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। জরিমানাও গুনতে হবে ৫ লাখ টাকা। এদিকে বিসিবিপ্রধান নাজমুল হাসান পুরো বিষয়টিকে দেখছেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের ‘চরম বেইজ্জতি’ হিসেবে।
শনিবার (১২ জুন) সাকিব-কাণ্ড নিয়ে এক বেসরকারি টিভি চ্যানেলে নাজমুল হাসান বলছিলেন, বিষয়টা আন্তর্জাতিকভাবে এত বেশি ছড়িয়ে পড়েছে, আমাকে এত দেশ থেকে ফোন করছে। আমি ভয়ে ফোন ধরছি না। বেইজ্জতির চরমে চলে গেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট।
ঘরোয়া ক্রিকেটের পাতানো ম্যাচের বিষয়টি খতিয়ে দেখার কথা জানিয়ে বিসিবি বস বলেন, যতক্ষণ না পর্যন্ত আমরা এ সমস্যার সমাধান বের করছি আমার মনে হয় এই ঘরোয়া ক্রিকেট খেলার কোনো মানে হয় না।
তিনি আরও বলেন, মানুষ যা বলে, যেই খেলায় আগে থেকেই সব ঠিক করা আছে। তাই যদি হয়, তাহলে এই খেলার তো কোনো মানে নেই। এটা চরম জায়গায় নিয়ে গেছে। যা উঠেছিল, এমনেই শেষ করে দিয়েছে।’
প্রসঙ্গত, অখেলোয়াড় সুলভ আচরণ করায় ঘরোয়া ক্রিকেটে ৩ ম্যাচ নিষিদ্ধ করা হয়েছে সাকিব আল হাসানকে। এছাড়া তাকে ৫ লাখ টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা শুরু হবে আগামী ম্যাচ থেকেই।
শনিবার (১২ জুন) দুপুরের পর ম্যাচ রেফারি মোরশেদুল আলমের পাঠানো শাস্তির নোটিশ হাতে পান ওয়েস্টিন হোটেলে থাকা সাকিব আল হাসান। চিঠিতে সাকিবের বিরুদ্ধে লেভেল-৩ পর্যায়ের আচরণবিধি ভাঙার অভিযোগ আনা হয়েছে। ক্রিকেট সুপারস্টারও অপরাধ স্বীকার করে নিয়ে চিঠিতে স্বাক্ষর করে দেওয়ায় এই শাস্তিই বহাল রইল। শাস্তির ব্যাপারে আপত্তি থাকলে শুনানিতে ডাকা হতো তাকে।
