নজর২৪ ডেস্ক- করোনা সংক্রমণ রোধে সরকারের বিধিনিষেধের মধ্যেই ঈদকে সামনে রেখে ঘরমুখো যাত্রীদের চাপ বেড়েছে মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে।
শুক্রবার (০৭ মে) সকালে যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপের কারণে শিমুলিয়া থেকে ফেরিতে কোনো যানবাহন উঠতে পারেনি। সকাল ৮টার দিকে রোরো ফেরি এনায়েতপুরী কোনো যানবাহন ছাড়াই ১২শ যাত্রী নিয়ে বাংলাবাজার ঘাটের উদ্দেশে রওনা দেয়।
বেলা সোয়া ১১টার দিকে ফেরিটি শুধুমাত্র যাত্রী নিয়েই শিবচরের বাংলাবাজার ঘাটে এসে পোঁছায়। কোনো যানবাহন ছাড়া শুধু যাত্রী নিয়ে এই প্রথম কোনো ফেরি শিমুলিয়া থেকে বাংলাবাজার পোঁছাল বলে জানিয়েছেন যাত্রীরা।
জানা গেছে, মাদারীপুরের শিবচরের বাংলাবাজার ফেরিঘাটে অস্বাভাবিক হারে ঘরমুখো যাত্রীদের ভিড় বেড়েছে। ঈদকে সামনে রেখে দক্ষিণাঞ্চলের ঘরমুখো মানুষের যাত্রা শুক্রবার সকাল থেকেই শুরু হয়েছে।
বিআইডব্লিউটিসির বাংলাবাজার ফেরি ঘাট সূত্রে জানা যায়, ছুটির দিন থাকায় শুক্রবার সকাল থেকে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার যাত্রীদের চাপ রয়েছে। হাজার হাজার যাত্রী ঈদের আগেই বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে।
এই নৌরুটে রোরোসহ ১৪টি ফেরি চলাচল করছে। তবে যাত্রীদের সংখ্যা বেশি থাকায় ফেরিতে গাড়ি অপেক্ষাকৃত কম পার হচ্ছে। বেলা সোয়া ১১টার দিকে রোরো ফেরি এনায়েতপুরীতে কমপক্ষে ১২শ যাত্রী ছিল। ফেরিটিতে কোনো গাড়ি পার হয়নি। ফেরিতে গাড়ি পার্কিংয়ের জায়গা থেকে শুরু করে যাত্রীদের বসার জায়গাসহ সর্বত্র ছিল উপচে পড়া ভিড়।
এদিকে ফেরিতে গাদাগাদি করে ভ্রমণের কারণেও করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। এ সময় তিনি দেশের মানুষকে ভিড়ের মধ্যে দোকানপাট ও শপিংমলে না যাওয়ার জন্য আহ্বান জানান।
শুক্রবার (০৭ মে) বিকেল ৫টার দিকে মানিকগঞ্জ সদরের গড়পাড়া শুভ সেন্টারে পবিত্র ঈদ-উল–ফিতর উপলক্ষে ও করোনা ভাইরাসে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণকালে এসব কথা বলেন তিনি।
করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ভয়াবহতা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, এভাবে চলতে থাকলে হাসপাতালেও জায়গা হবে না।
